সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মমতার

Update: December 15, 2012 11:04 IST

বার বার আবেদনসত্ত্বেও সাড়া মেলেনি শিল্পমহলের। লগ্নি আসছে না রাজ্যে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, এজন্য দায়ী সংবাদমাধ্যম। কারণ তারাই রাজ্য সরকার সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব ছড়াচ্ছে জনমানসে। আজ দিল্লিতে বণিকসভা ফিকির অনুষ্ঠানে এমনই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে শিল্পের জন্য জমি নিয়ে রাজ্যের অবস্থান যে বদলাবে না, তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।  

বার বার শিল্পমহলের কাছে আবেদন করেও গত দেড় বছরে এরাজ্যে লগ্নি তেমন আসেনি। তাই শনিবার দিল্লিতে ফিকির সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী  শুরুটা করেছিলেন খানিকটা তোয়াজের সুরেই। লক্ষ্য ছিল মুখ ফিরিয়ে থাকা শিল্পমহলের মন জয় করা। কিন্তু একইসঙ্গে জমিনীতি নিয়ে তিনি যে আগের জায়গাতেই রয়েছেন, মনে করিয়ে দিয়েছেন সেকথাও।

বিভিন্ন সময়ে শিল্পপতিদের মুখে রাজ্যের জমিনীতির সমালোচনা, তা নিয়ে উদ্বেগ শোনা গেছে। এই ইস্যুতে সরব বিরোধীরাও। কংগ্রেসের অভিযোগ, জমিনীতির পরিবর্তন না হলে, রাজ্যে শিল্পায়নের সম্ভাবনা ধাক্কা খাবেই। আগামী সোমবার দিল্লিতে শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে জমিনীতি না বদলালে সেখান থেকেও রাজ্যে নতুন শিল্প আনার কোনও সবুজ সঙ্কেত তিনি জোগাড় করতে পারেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান বিশেষজ্ঞ মহল।
 





Post Your Comment

Total Comments:2

Very poor story..ja PKG hoi channel-e, tai dhore tuke dan apnara..

DELHI JAN AAR JEKHANAI JAN JOMINITI BADAL NAHOLE KAU AASBENA.APNER ``DHOP`` BAJI SOKOLAI BUGHE GECHE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।