ছবি বেচে ভোটের টাকা তুলবেন মমতা

Update: January 2, 2013 22:17 IST

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলের তহবিল গড়ার জন্যই ছবির প্রদর্শর্নী। নিজের ছবি প্রদর্শনীর উদ্বোধনে এমনটাই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ টাউন হলে মুখ্যমন্ত্রীর ২৫০ ছবি নিয়ে শুরু হল চিত্র প্রদর্শনী। অনুষ্ঠানে ছিলেন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের অন্যান্য শীর্ষ নেতৃত্ব। 

নেশার তাগিদেই অবসর সময়ে ছবি আঁকা। মুখোমুখি হওয়া ক্যানভাসের। কিন্তু হাজার একটা কাজের মধ্যে  কখন অবসর মেলে তাঁর? একদিকে দেড় বছরের শিশু সরকার। তাঁর হাজার একটা কাজ। কখনও জঙ্গলমহল, আবার কখনও পাহাড়। রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে ছুটে বেড়ানো।  রয়েছে  ছটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলানোর ঝক্কি। বকলমে সবাই জানেন আসলে তিনিই শেষ কথা ।   তবু এই ৩৬৫ দিনে তার আঁকা আড়াইশো ছবির প্রদর্শনী।  ছবি আঁকা মানেই সময়সাপেক্ষ বিষয়। তারমধ্যে ২৫০ ছবি! কীভাবে সম্ভব? উত্তর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই।  

 
তবে শুধু মনের আনন্দেই ছবি আঁকা নয়। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি এই ছবি বিক্রি দল চালানোর খরচ তুলে আনা হবে। কত টাকা উঠতে পারে? গতবার ছবি বিক্রি করে দুকোটি টাকা পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবারে উদ্যোক্তাদের দাবি আড়াইশো ছবি বিক্রি করে ১০ কোটি তো অবশ্যই। 





Post Your Comment

Total Comments:8

Hole Bhaloo, tobe bepar tatey ektaa Durgondho pacchi :)...

অদৃশ্য কাল্পনিক আমেরিকান ইউনিভার্সিটি থেকে `ডক্টরেট` করার মতই আরেক বিশাল ধাপ্পা মমতার এই ছবি আঁকার গপ্পো! চাটুকারেরা ঢাক পেটালেই লোকে বিশ্বাস করবে, মানুষ এতটাই বোকা নয়। আসলে এটা তোলাবাজীর আরেকটা রূপ। `নির্দিষ্ট ক্রেতারা` এই প্রদর্শনীতে বাধ্য হয়ে আসবেন এবং `প্রশংসা` করে `ছবি কিনতে` নিরূপায় থাকবেন! একটাই সত্যি যে মমতা যেদিন ক্ষ্মমতাচ্যুত হবে সেদিন ওর `ছবি`ও ভ্যানিশ হবে। `ক্রেতা`রাও হাঁফ ছেড়ে বাঁছবেন এসব হাবিজাবি ছাঁইপাঁশ বাধ্য হয়ে গাঁটের পয়সা খরচ করে `কিনে` আবার `প্রশংসা` করার বিড়ম্বনা থেকে!

Another bluff by Mamata as was her earlier bluff of having `doctorate` from a US university- that NEVER EXISTED! Mamata thinks her sycophants beating the drum so people will believe. People are not such fool! on the other hand it`s another type of EXTORTION! Her targeted potential `buyers` are compelled to visit and `buy` her `paintings`! You see they will also shower `praise` on `artist` Mamata! Another thing is sure, her `paintings` will vanish when she vanishes from power and the `buyers` will get rid of showering `praise` again by spending hard earned money.

Amar Manonio Didi r kacha sikhte hobe ......... how to time manege.......

VOTERS WILL VOTE FOR THIS CHIMNEY-LESS ART INDUSTRY.YOUTHS WILL GET EMPLOYMENT.HABBY!

Wonderful! Unbelievable! Surprising! Miraculous! Extraordinary! Ridiculous! Unnatural! Ominous! Amazing! Be-fooling! Uncanny! Superficial! Stupefying! Horrifying!

ae chobi kara kane? apni state er kaj koren kakhon? apnar prativhar var westbengaler manush ar boite percha na.

জিনি সারাদিনে রাতে ২০ ঘণ্টা মানুষের কাজ করেন তিনি কি করে দৈনিক এক্তা করে বহু মুল্যের ছবি আঁকেন কে জানে ।আমার মত গণ্ড সাধারন লকের মাথায় ঢুকবে না। আসলে এই সমস্ত ছবি ওই দারি ওয়ালা এবং আর কিছু লক মিলে এঁকে দেন দিদির নামে । জানি না দিদি কন আর্ট কলেগ থেকে পাস করেছেন।উনার বাও দাটায় এই রকম কোন মান পত্র দেখতে পেলাম না। সুতরাং সাধারণ মানুষ কে বকা বানানর আর একটা পন্থা ।ছবি বিক্রি করে দিদি দল চালাবেন মাত্র বছরে ৩ কতি টাকা দিয়ে। তাহলে কি করে দিদির দলের বর্তমান গছিত তাকার অংক ৭০ কোটি হয় ?

unar chobi aeke poisa tola jodi sandeyer karaon hoee taa hole rokta beche jotir bakreswar power plant bannaor golpo ta ktota bisaser.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।