"সরকার জানা জরুরি হ্যায়, দেশ কো বাচানে কে লিয়ে"

Update: October 4, 2012 21:13 IST

"সরকার জানা জরুরি হ্যায়, দেশ কো বাচানে কে লিয়ে"। আর্থিক সংস্কার নিয়ে মনমোহন সিং সরকারের ফের কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ফেসবুকে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে এই ইস্যুতে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হবেন বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন মমতা। ইউপিএ`কে যে সমস্ত রাজনৈতিক দল সমর্থন করছে তাদের প্রতি তাঁর আহ্বান, এই জনবিরোধী সরকারকে ছেড়ে বেরিয়ে আসুন। এই ইস্যুতে অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথাও বলেছেন তৃণমূল নেত্রী।

বিমা ক্ষেত্রে বিদেশি লগ্নির পরিমাণ ২৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪৯ শতাংশ করার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। পেনশন ফান্ডে ২৬ শতাংশ বিদেশি লগ্নিতে ছাড়েও সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। এবিষয়ে মমতা বলেছেন, এতে সাধারণ মানুষের বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।

কেন্দ্রে সরকারকে সংখ্যালঘু অ্যাখা দিয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, "কেন্দ্রে সরকার সব লক্ষ্মণরেখা পেরিয়ে গিয়েছে। কোটি কোটি ভারতবাসীর কাছে এই সরকার জনবিরোধী সরকারে পরিণত হয়েছে।" সেই সঙ্গে ফেসবুকে তাঁর প্রশ্ন, "ইউপিএ সরকার কি দেশকে বিক্রি করে ফেলতে চায়?"

সিপিআইএম থেকে সংবাদমাধ্যম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল নেটওয়ার্ক স্ট্যাটাসে বহুবার এদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার দেখা দিয়েছে। সমর্থন প্রত্যাহারের পর এবার কেন্দ্রের দিকেই যাবতীয় ফেসবুক তোপ এই স্বভাব-বিরোধী নেত্রীর।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।