ধর্ষণ, নারী নির্যাতনে নীরব তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীরা এফডিআই নিয়ে রাজপথে

Update: September 25, 2012 15:58 IST

পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণকান্ড থেকে কাটোয়া, বারাসত, রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনায় তাঁরা রাস্তায় নামতে দেখা যায়নি। কিন্তু এফডিআই ইস্যু বিবেকে নাড়া দিল তৃণমূলপন্থী বুদ্ধিজীবীদের! আর তাই ১৬ মাসের মধ্যে এই প্রথম তাদের গলায় প্রতিবাদের সুর। সেই সুরেই কখনও গাইতে শোনা গেল যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে... কখনও আবার জিত্‍ গাঙ্গুলির হালের সেই পল মাতানো গান 'মনটা আমার পেখম তুলে নাচেরে'।

টলিউডের দেব, সোহম থেকে ময়দানের অমল দত্ত, সুব্রত ভট্টাচার্যরা। সবাই হাজির মমতার নির্দেশে পথে নামা বুদ্ধিজীবীদের সভায়। তবে এই সভা জুড়ে যতটা থাকল বিনোদন, তার কণামাত্র দেখা গেল না আন্দোলনের কড়া প্রতিবাদ।

 এর আগে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলন সহ বিভিন্ন ইস্যুতে তত্‍কালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা গিয়েছে এই পরিবর্তনপন্থী বুদ্ধিজীবীদের।
সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের উত্তাল আন্দোলন। আন্দোলনের নেতৃত্বে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার রাজপথে সেদিন তৃণমূলনেত্রীর পাশে হেঁটেছিলেন বুদ্ধিজীবীদের একাংশ। মিটিং, মিছিল, সমাবেশেও তাদের দেখা গিয়েছিল। এভাবেই আত্মপ্রকাশ ঘটে পরিবর্তনপন্থী বুদ্ধিজীবীদের। তাদের বক্তব্য ছিল, কোনও রাজনৈতিক তকমা নয়, যেখানে অন্যায় সেখানেই প্রতিবাদে সোচ্চার হবেন তারা।

নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের মঞ্চে এঁদের অনেককেই দেখা গেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন এদেঁর অনেকেই রেলের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হয়েছেন। যদিও বরাবরই তাদের অবস্থান ছিল, কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে তারা কাজ করছেন না।
এরপর রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। তৃণমূলের একুশে জুলাই বিজয় দিবসের মঞ্চে ছিল অসংখ্য বুদ্ধিজীবীদের ভিড়। মহাশ্বেতা দেবীকে নমস্কার জানিয়ে নিজের বক্তৃতা শুরু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কমিটিতে সামিল করা হয় এই পরিবর্তনপন্থীদের।

তারপর ১৬ মাস বাদে ফের পথে নামলেন বুদ্ধিজীবীরা। এবারের ইস্যুতে খুচরো ব্যবসায় বিদেশি বিনিয়োগের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ। ইউপিএ ছাড়ার পর পরিবর্তনপন্থী বুদ্ধিজীবীদের কাছে রেলের কমিটি থেকে পদত্যাগের কথা বলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রেলের কমিটি না ছাড়লেও, মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মেনে ফের পথে নামছেন পরিবর্তনপন্থীরা।
পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণকান্ড থেকে কাটোয়া, বারাসত, রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ নিয়ে বিরোধীদের পাশাপাশি সরব হয়েছে তত্‍কালীন জোটসঙ্গী কংগ্রেসও। শিক্ষাক্ষেত্রেও একের পর এক নৈরাজ্য। অধ্যক্ষ আক্রান্ত। কার্টুন কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয় অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জনসভায় গিয়ে নালিশ জানানোর জন্য মাওবাদী তকমা দিয়ে গ্রেফতার হতে হয়েছে প্রান্তিক কৃষক শিলাদিত্যকে। বিচ্ছিন্ন কিছু প্রতিবাদী কন্ঠ শোনা গেছে। যেমন সুনন্দ সান্যাল বা মহাশ্বেতা দেবী। বাকি যা শোনা গেছে তার অধিকাংশই সরকারের হয়ে সাফাই।
দীর্ঘ ষোলোমাসের সেই নীরবতা অবশেষে ভাঙল। কতকটা সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ধাঁচেই এবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফের পা মেলালেন পরিবর্তনপন্থীরা।সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের উত্তাল আন্দোলন। আন্দোলনের নেতৃত্বে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার রাজপথে সেদিন তৃণমূলনেত্রীর পাশে হেঁটেছিলেন বুদ্ধিজীবীদের একাংশ। মিটিং, মিছিল, সমাবেশেও তাদের দেখা গিয়েছিল। এভাবেই আত্মপ্রকাশ ঘটে পরিবর্তনপন্থী বুদ্ধিজীবীদের। তাদের বক্তব্য ছিল, কোনও রাজনৈতিক তকমা নয়, যেখানে অন্যায় সেখানেই প্রতিবাদে সোচ্চার হবেন তারা।
 
নির্বাচনী প্রচারে তৃণমূলের মঞ্চে এঁদের অনেককেই দেখা গেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন এদেঁর অনেকেই রেলের বিভিন্ন কমিটির সদস্য হয়েছেন। যদিও বরাবরই তাদের অবস্থান ছিল, কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে তারা কাজ করছেন না।
 
এরপর রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। তৃণমূলের ২১ জুলাই বিজয় দিবসের মঞ্চে ছিল অসংখ্য বুদ্ধিজীবীদের ভিড়। মহাশ্বেতা দেবীকে নমস্কার জানিয়ে নিজের বক্তৃতা শুরু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কমিটিতে সামিল করা হয় এই পরিবর্তনপন্থীদের।
 
পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণকান্ড থেকে কাটোয়া, বারাসত, রাজ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। রাজনৈতিক সংঘর্ষ নিয়ে বিরোধীদের পাশাপাশি সরব হয়েছে তত্‍কালীন জোটসঙ্গী কংগ্রেসও। শিক্ষাক্ষেত্রেও একের পর এক নৈরাজ্য। অধ্যক্ষ আক্রান্ত। কার্টুন কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয় অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জনসভায় গিয়ে নালিশ জানানোর জন্য মাওবাদী তকমা দিয়ে গ্রেফতার হতে হয়েছে প্রান্তিক কৃষক শিলাদিত্যকে। বিচ্ছিন্ন কিছু প্রতিবাদী কন্ঠ শোনা গেছে। যেমন সুনন্দ সান্যাল বা মহাশ্বেতা দেবী। বাকি যা শোনা গেছে তার অধিকাংশই সরকারের হয়ে সাফাই।
 
দীর্ঘ ষোলোমাসের সেই নীরবতা অবশেষে ভাঙল। কতকটা সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের ধাঁচেই এবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ফের পা মেলালেন পরিবর্তনপন্থীরা।







Post Your Comment

Total Comments:8

এই বুদ্ধিজীবীরা একটি গৃহপালিত মমতা ভক্ত প্রানি ।এর বেশি কিছু নয়।

J Sab budhijibira bidesi panner janna fdi birodhita karchhen, sei budhhijibira kintu bidesi posak o bidesi gari bebohar karen. asole unara andhokar jagate achhen r manuske boka banachhen.

SUSIL SAMAJER GHUM BHEGRCHE.MAMATA BANERJEE GARU CHAGOLER MOTO TARIA METRO CHANELE NIYA GECHILO FDI NIYA MOMATAKE SAMARTHAN KORER JONNYO. BAMPONTHIRA BAHU DIN DHORE FDI`ER BIRODHITE KORE AASCHE TAKHON TO AI SUSIL SAMAJ BIRODHITA KORE CHILO.

ki khobor dhorson ato barche kano didi. w.b

রেলওয়ে কমিটির বিভিন্ন পদে থেকে ওনারা আমাদের কি ভাবে কৃতার্থ করছেন সেটা জানতে চাই ।

Is `Buddhigebe` is a special qualification like that of `Doctorate` degree of Mamata Banerjee, she used to write about 28 years back.

ERA MANUSHER CHAMRA GAYE JANOAR, JADER DEKHE PRITHBIR JAGHONYO PRANIRAO LAJJA PEYE JABE.....AAR BHASHA NEI.....!!!!!!

Its better that those so called (self proclaimed)kings & queens of west bengal invest better time for a better tomorrow, rather than participating in masqued drama shows

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।