কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ মমতার, কাল তৃণমূল মন্ত্রীদের ইস্তফা

Update: September 20, 2012 16:59 IST

নেত্রীর নির্দেশ মেনে আগামীকাল, শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীসভা থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন তৃণমূল মন্ত্রীরা। আগামীকাল দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে ইস্তফাপত্র তুলে দেবেন মুকুল রায়, সৌগত রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। একটা মহল থেকে মনে করা হয়েছিল শেষ মুহুর্তে প্রধানমন্ত্রী বা সোনিয়া মমতাকে ফোন করলে হয়তো বরফ গলতে পারে। কিন্তু এবার আর মমতার চাপের কাছে পিছু হটতে চায় না কংগ্রেস। আর তাই মঙ্গলবার দলের কোর কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত মত পদত্যাগ করছেন মুকুল রায়রা।

এফডিআই নিয়ে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালের ১৭ডিসেম্বর তত্‍কালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় লোকসভায়, খুচরো ব্যবসায়ে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বলেছিলেন, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছনো না পর্যন্ত সরকার এফডিআই নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সেই বিবৃতি আজ ফেসবুকে পোস্ট করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকার তার ঘোষিত অবস্থান থেকে সরে এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।   
 

Post Your Comment

Total Comments:1

aber Mamata Didi khabe ki ? Sonar kella gelo hath faske.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।