দুবরাজপুরে পুলিস বাড়াবাড়ি করেনি: মমতা

Update: November 7, 2012 20:05 IST

প্ররোচনার মুখে পড়েও দুবরাজপুরে পুলিস বাড়াবাড়ি করেনি। পুলিস গুলি চালায়নি। দুবরাজপুরের ঘটনায় আজ পুলিসকে এভাবেই দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুবরাজপুরের ঘটনা পরিকল্পিত বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার পরিকল্পনা কারা করেছে, তা খতিয়ে দেখতে এডিজি আইনশৃঙ্খলার নেতৃত্বে তদন্ত হবে।

এদিন লোবা গ্রামের জমি আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চলায় ঘটনায় পুলিসের পাশেই দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায় লোবা গ্রামে পুলিস যে `সংযত আচরণ` দেখিয়েছে, তার জন্য তিনি তাঁদের ধন্যবাদও জানিয়েছে। জমি আন্দোলনে  মা-মাটি-মানুষের সরকার গুলি চালিয়েছে, এই তকমা যাতে না লাগে, সাংবাদিক সম্মেলনে আগাগোড়াই সেদিকে নজর ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। মহাকরণে দাঁড়িয়ে তার দিকে প্রশ্ন আসার আগেই মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বলেন নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুরের সঙ্গে এই ঘটনার কোনও তুলনা চলে না। এদিকে, ঘটনা কেন ঘটল এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেও লোবা গ্রামে গিয়ে বুধবারই শিল্পমন্ত্রী ঘোষণা করে দেন ঘটনার পিছনে কংগ্রেস এবং সিপিআইএমের হাত রয়েছে।
  


দুবরাজপুরে পুলিসের গুলি চালানোর ঘটনায় ফের একবার উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। চরমে রাজনৈতিক তরজাও। দুবরাজপুরে পুলিসের গুলি চলেনি বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  একইসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, দুবরাজপুরের ঘটনা পরিকল্পিত।  বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্রের পাল্টা  অভিযোগ, সরকারের তরফে দুবরাজপুরকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তদন্তের আগেই রাজ্যের মন্ত্রীরা অন্যের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছেন বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। সেইসঙ্গে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।






Post Your Comment

Total Comments:1

Ekemon tadanto ja suru hober agai Parthobabu ter report o sasti ghosona kore dilen. Mitthe katha bolar ekta sima aache, Mamoter kalyane to arr kono silpo hobena, tai Mitthe kotha boler jonyo ekta University khulun sekhane Professor hisebe PARTHO,MUKUL,MADAN,BOBYHAKIMDER mononito karun, Vice-Chln. SUBHOPROSSONO abong CHANCELLER MAMATA BANERJEE

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।