ম্যাঙ্গো পার্লস ইন ক্ষীর

Update: September 27, 2012 19:11 IST

আম খেতে ভালবাসে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আর ক্ষীর, সেটাও তো সকলের প্রিয়। কিন্তু এই দুটো একসঙ্গে মিলে দারুণ একটা রেসিপি হতে পারে এমন কথাটা বান্ধবীর মুখেই শুনেছিলাম। জানি কেউ কেউ হয়তো জানেন, আবার অনেকে হয়তো জানেন না। তাদের জন্যই সহজে আম আর শাহি ক্ষীরের মিশেলে তৈরি ম্যাঙ্গো পার্লস ইন ক্ষীর তৈরির সাতসুলুক---


কী কী চাই:

২টি হিমসাগর আম
১০টি আমন্ড বাদাম
৩-৪টি রুপোলি তবক

শাহি ক্ষীর:

১ কাপ সিদ্ধ বাসমতী চাল
১/২ লিটার দুধ
১/৪ টিন কনডেন্সড্ মিল্ক
১ কাপ ছোটো কুচি করা পনির
৫টি আমন্ড বাদাম গ্রাইন্ডারে গুঁড়ো করা
১ টেবিল চামচ কিসমিস
২টি ছোটো এলাচ গুঁড়ো করা
১ চা চামচ কেওড়া/গোলাপ জল

কেমন করে করবেন

১) দুধ বড়ো একটি তাপনিরোধক বাটিতে ঢালুন। সিদ্ধ করা চাল মিশিয়ে ৮-১০ মিনিট মাইক্রোওয়েভে রাঁধুন, যতক্ষণ না ফুটে ওঠে। পাওয়ার কমিয়ে ৬০ ডিগ্রি করুন এবং ২০ মিনিট মাইক্রোওয়েভে রাঁধুন।
২) এরপর নামিয়ে কাঠের চামচ দিয়ে চাল চটকে মসৃণ করে দুধের সঙ্গে মিশিয়ে দিন। এতে শাহি ক্ষীরের বাকি সমস্ত উপকরণ ভাল করে মিশিয়ে দিন। অগভীর একটি পাত্রে ঢেলে ফ্রিজে ঠাণ্ডা হতে দিন।
৩) ২টি আমের খোসা ছাড়িয়ে সাবধানে ছুরি দিয়ে আঁটির চারপাশ থেকে শাঁস কেটে নিন। ১০টি চৌকো টুকরো করুন।
৪) প্রতিটি টুকরোর মাঝখানে একটি আমন্ড বাদাম টিপে ঢুকিয়ে দিন। ফ্রিজ থেকে ক্ষীরের ডিসটি বার করুন। সাবধানে আমের টুকরোগুলি মাঝখানে সাজান। দেখবেন যেন ক্ষীরের ওপরে থাকে।
৫) আমের ওপর সাবধানে তবক বিছিয়ে দিন। আস্তে আস্তে ছুরি দিয় টুকরোগুলিকে আলাদা করে নিন। ফের ফ্রিজে রাখুন। ২ ঘণ্টা বাদে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন।

কাকলি হালদার, নিউ আলিপুর






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।