আস্থা হারালেও মনমোহনকেই প্রধানমন্ত্রী পদে রাখছে কংগ্রেস

কয়লা ব্লক বণ্টন কেলেঙ্কারি নিয়ে সিবিআইয়ের তদন্ত রিপোর্টে কারচুপির কথা প্রকাশ্যে চলে আসার পর ক্রমশই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলের অন্দরে। মনমোহনকে সামনে রেখে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আসরে নামা কতটা যুক্তিযুক্ত হবে, এ নিয়ে কংগ্রেসের ভিতরেই একটা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

Updated: May 13, 2013, 09:31 PM IST

কয়লা ব্লক বণ্টন কেলেঙ্কারি নিয়ে সিবিআইয়ের তদন্ত রিপোর্টে কারচুপির কথা প্রকাশ্যে চলে আসার পর ক্রমশই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলের অন্দরে। মনমোহনকে সামনে রেখে আগামী লোকসভা নির্বাচনের আসরে নামা কতটা যুক্তিযুক্ত হবে, এ নিয়ে কংগ্রেসের ভিতরেই একটা গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
অবশ্য এ দিন সন্ধ্যায় কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে সোনিয়ার সঙ্গে মনমোহনের কোনও দূরত্ব তৈরি হয়নি। কংগ্রেসে নেতাদের আগ বাড়িয়ে এমন মন্তব্য সোনিয়া-মনমোহনের সম্পর্ক জল্পনায় বারুদের মত কাজ করছে।
দলীয় নেতৃত্বের একটা অংশ মনে করে, প্রধানমন্ত্রী এখন দলের মাথাব্যথার কারণ। সুপ্রিম কোর্টের ভর্ত্সনার পরও প্রাক্তন আইনমন্ত্রীকে সমর্থন করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সোনিয়া গান্ধীর ইচ্ছাতেই সরতে হয় অশ্বিনী কুমার এবং প্রাক্তন রেলমন্ত্রী পবনকুমার বনসলকে। 
প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে কার্যত নস্যাত্‍ করে সোনিয়া যে ভাবে এই বিতর্ক থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন, তাতে দু`জনের মধ্যে দূরত্বই আরও প্রকট হয়েছে বলে দলের ভিতরে প্রচার করতে চাইছেন সোনিয়াঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতারা। তবে ওই দুই মন্ত্রীর পদত্যাগের ইস্যুতে দল এবং প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে যে কোনও বিরোধ নেই, বারবার জনসমক্ষে সেই বার্তাদিতে চাইছেন কংগ্রেসের সামনের সারির নেতারা।