অপ্রতিরোধ্য শারাপোভা, জকোভিচের রাগ

Update: January 18, 2013 18:30 IST

এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মারিয়া শারাপোভার দাপট অব্যাহত। প্রথম দুটো রাউন্ডে কোনও গেম না খুইয়ে ম্যাচ জেতার পর আজ একেবারে অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলেন টেনিসের গ্ল্যামার কুইন । তৃতীয় রাউন্ডের মেগা ম্যাচে বুম বুম শারাপোভার বিরুদ্ধে উড়ে গেলেন সাতটা গ্র্যান্ডস্লাম জয়ী ভেনাস উইলিয়ামস।

শারাপোভা জিতলেন ৬-১, ৬-৩। উইলিয়াস দুই বোনেদের বিরুদ্ধে শারাপোভা বরাবরই একটু গুটিয়ে থাকেন। কিন্তু সেটা তো পুরনো শারাপোভা। নতুন প্রেমে পড়া শারাপোভার টেনিসটাও যেন নতুন। সেই অনবদ্য টেনিসের কাছে শুধু দর্শক হয়েই থেকে যেতে হল ভেনাসকে। দুরন্ত ম্যাচ জিতে চতুর্থ রাউন্ডে ওঠার পর নতুন প্রেম গ্রিগর দিমিত্রভ-এর সঙ্গে সম্পর্কটাও স্বীকার করে নিলেন। রাশিয়ার টেনিস সুন্দরী বললেন, এখন সময়টা দারুণ যাচ্ছে। সঙ্গে হেসে বললেন, ``টেনিস খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রেম করাটা অনেক বেশি সহজ``।

সেখানে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন যেখানে হচ্ছে সেই মেলবোর্নের তাপমাত্রা এখন ৪৫ ডিগ্রি। জকোভিচ সেই গরম পরিবেশে মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলেন না। লিয়েন্ডার পেজের ডাবলস পার্টনার রাদেক স্টেপানেককে তৃতীয় রাউন্ডে অনায়াসে হারানোর পর জকোভিচ হঠাত্‍ রেগে গেলেন। রাগের কারণ কিংবদন্তি সাইকেলিস্ট ল্যান্স আর্মস্ট্রংয়ের নিষিদ্ধ ডোপিং নেওয়ার কথা। জকোভিচ উত্তেজিতভাবে বললেন, "আর্মস্ট্রং গোটা পৃথিবীকে ঠকিয়েছে। খেলাকে ঠকিয়েছে।"
আজ কারা কারা জিতলেন--
অ্যাঞ্জেলা কারবার, না লি, নোভাক জকোভিচ, মারিয়া শারাপোভা, ডেভিড ফেরেরা, রোদোনাস্কা, আনা ইভানিভোচি, ফার্নান্দো ভারদাসকো, টমাস বার্ডিচ

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।