আই লিগে পয়েন্টের খাতা খুলল মোহনবাগান

Update: January 24, 2013 16:54 IST

মোহনবাগান (০) সিকিম ইউনাইটেড (০)
আই লিগে প্রথম পয়েন্ট পেল মোহনবাগান। যুবভারতীতে ইউনাইটেড সিকিমের সঙ্গে গোলশূন্য ভাবে ম্যাচ শেষ করলেন টোলগেরা। নয়ই ডিসেম্বর ডার্বি কাণ্ডের পর আই লিগ শূন্য পয়েন্ট থেকে শুরু করতে হয়েছে সবুজমেরুন শিবিরকে। এই পরিস্থিতিতে এক পয়েন্টও স্বস্তি আনার কথা সবুজমেরুন শিবিরে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি ঠিক তার উল্টো। লিগ তালিকার তলার দিকে থাকা ইউনাইটেড সিকিমকে ঘরের মাঠে হারাতে না পারায় চাপ বাড়ল করিমের দলের উপর। চলতি আই লিগে ইউনাইটেড সিকিমকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রয়াগ, ডেম্পোর মত দলগুলি।  

এদিন একের পর এক গোলের সুযোগ নষ্ট করেন টোলগেরা। অ্যাওয়ে ম্যাচে কিছুটা রক্ষণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে নেমেছিল সিকিম দল। গোল না খেয়ে সেই স্ট্র্যাটেজিতে তাঁরা সফল। কিন্তু তাদের পেনাল্টি বক্সে তৈরি হওয়া পায়ের জঙ্গল এড়াতে খেলা ছড়ানোর বা মাঝমাঠ থেকে ফাইনাল পাস বাড়ানোর লোকের বড়ই অভাব এই মোহনবাগানে। অবনমন এড়াতে এই এক পয়েন্টও সিকিম দলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে। আর মোহনবাগানের কাছে কঠিন করে দিচ্ছে অবনমন বাঁচানোর কাজটা। 
তিন ম্যাচ নির্বাসিত ওডাফার অভাবটাও বড় চোখে পড়ল। টোলগের নড়াচড়া চোখে পড়লেও গোলখিদেটা যে আগের মত নেই বোঝা গেল।



আই লিগে অবনমনের লড়াই মূলত মোহনবাগান (১), সিকিম ইউনাইটেড (১১), সালগাওকর (১৪), স্পোর্টিং ক্লুব দি গোয়া (১৪), , এয়ার ইন্ডিয়া (১৪),শিলং লাজং (১৫)-এর মধ্যে। আগামি তিনটে ম্যাচ জিততে না পারলে অবনমনের ভূতটা যে করিমের ঘাড়ে চেপে বসবে সেটা বলাই বাহুল্য।

ডার্বি ম্যাচের মাঝপথে দল তুলে নেওয়ার শাস্তি হিসাবে চলতি আই লিগে মোহনবাগানের সব পয়েন্ট কেটে নেওয়া হয়। নির্বাসনের পর আই লিগে ফিরে এসে প্রথম ম্যাচে সালগাওকরের বিরুদ্ধে হেরে যায় মোহনবাগান।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।