প্রেসিডেন্ট মুর্সির বিরুদ্ধে ফের উত্তপ্ত মিশর

Update: November 24, 2012 20:10 IST

ক্রমশ অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠছে মিশরের প্রেসিডেন্ট বিরোধী আন্দোলন। দমননীতি প্রয়োগ করে যে তাদের থামানো যাবে না আজ স্পষ্টভাবেই সেকথা জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ক্ষমতা কুক্ষিগত করা নিয়ে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুর্সির একতরফা ডিক্রির প্রতিবাদে গতকাল থেকেই তাহরির স্কোয়ারে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বহু মানুষ।

ডিক্রি জারি করে প্রেসিডেন্ট মুর্সি জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সিদ্ধান্তকে মিশরের মাটিতে কোনওভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। এখানেই শেষ না। মিশরের কোনও আদালতই সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবে না বলেও ডিক্রিতে ঘোষণা করেছেন মুর্সি। মিশরের প্রেসিডেন্টের এই ডিক্রি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও।

তবে, দেশের মাটিতে মুর্সি অনুগামীরা প্রেসিডেন্টের ডিক্রিকে সমর্থন জানিয়ে রীতিমতো পথে নেমে পড়েছে। ফলে, মিশরের বিভিন্নপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে অশান্তি। গতকাল রাত থেকে তাহরির স্কোয়ারে যারা প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন, তাদের হঠাতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিস। তাতে সাময়িকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে তাহরির স্কোয়ার।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।