বিকল নর্দার্ন পাওয়ার গ্রিড, বিদ্যুত্‍ বিপর্যয় উত্তর ভারতে

Update: July 30, 2012 10:03 IST

নর্দার্ন পাওয়ার গ্রিড বিকল হয়ে যাওয়ায় উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিদ্যুত্‍ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। পঞ্জাব, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, উত্তর প্রদেশ রাজস্থান  সহ ৯টি রাজ্যে বিদ্যুত পরিষেবা পুরোপুরি বিপর্যস্ত। গতকাল রাত আড়াইটে নাগাদ আচমকাই এই পাওয়ার গ্রিডটি বিকল হয়ে যায়।

নর্দার্ন গ্রিড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সকাল থেকে ইঞ্জিনিয়াররা ত্রুটি মেরামতের কাজ শুরু করেছেন। তাঁদের আশা, কিছুক্ষণের মধ্যে পরিষেবা স্বাভাবিক হবে। যদিও হাসপাতাল বা পরিবহণে বিদ্যুত্‍ পরিষেবা অনেকটাই স্বাভাবিক করে আনা গেছে বলে প্রশাসনের দাবি। 
  
নর্দার্ন পাওয়ার গ্রিড বিদ্যুত বিভ্রাটের উত্তর ভারত জুড়ে বিপর্যস্ত  ট্রেন চলাচল। বিদ্যুত্‍ বিভ্রাটের জেরে গতকাল রাত থেকে ১০০-র`ও বেশি ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে রয়েছে। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিভিন্ন স্টেশনে আটকে রয়েছে একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন। ফলে দুর্ভোগের শিকার যাত্রীরা। তবে ডিজেল ইঞ্জিনের সাহায্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে। বিদ্যুত্‍ বিপর্যয়ের কারণে সকাল ছ`টা থেকেই ছ`টি লাইনে বন্ধ রয়েছে দিল্লি মেট্রো রেলও। যার জন্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে নিত্য যাত্রীদের। আগাম খবর না থাকায় অনেকেই বিভিন্ন স্টেশনে গিয়ে, ফিরে যাচ্ছেন।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।