মেঘালয়ে গণধর্ষিতা তরুণীকে ভর্তি নিতে অস্বীকার একাধিক স্কুলের

তিন মাস কেটে যাওয়ার পরেও গণধর্ষণের শিকার মেঘালয়ের এক তরুণীকে স্কুলে ভর্তি নিতে অস্বীকার করল একাধিক স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় ১৬ জন অভিযুক্ত গ্রেফতার হওয়ার পরেও বিন্দুমাত্র ভোগান্তি কমেনি নিগৃহীতা মেয়েটির। গত বছরের ১৩ তারিখ গারো হিলের উইলিয়ামনগরে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষিত হন এই তরুণী। এই ঘটনার পর হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে অন্য শহরে চলে যেতে বাধ্য হয় নিগৃহীতা তরুণীর পরিবার। সংবাদমাধ্যমের কাছে মেয়েটি নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ার আর্তি জানিয়েছিল।

Updated: Mar 26, 2013, 11:43 AM IST

তিন মাস কেটে যাওয়ার পরেও গণধর্ষণের শিকার মেঘালয়ের এক তরুণীকে স্কুলে ভর্তি নিতে অস্বীকার করল একাধিক স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় ১৬ জন অভিযুক্ত গ্রেফতার হওয়ার পরেও বিন্দুমাত্র ভোগান্তি কমেনি নিগৃহীতা মেয়েটির। গত বছরের ১৩ তারিখ গারো হিলের উইলিয়ামনগরে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষিত হন এই তরুণী। এই ঘটনার পর হয়রানির হাত থেকে বাঁচতে অন্য শহরে চলে যেতে বাধ্য হয় নিগৃহীতা তরুণীর পরিবার। সংবাদমাধ্যমের কাছে মেয়েটি নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ার আর্তি জানিয়েছিল।
ডিসেম্বরের সেই রাতে রক্তাক্ত ও অচৈতন্য অবস্থায় মেয়েটিকে তাঁর বাড়ির সামনে ফেলে দিয়ে যায় দুটি ছেলে। ঘটনায় অভিযুক্ত ১৬ জনকেই গ্রেফতার করে পুলিস। তাদের মধে আটজন জুভেনাইল কোর্টে বিচারাধীন। বাকি আটজন বর্তমানে জেল হেফাজতে। এই ঘটনায় গঠিত হয়নি কোনও ফাস্টট্র্যাক কোর্ট।
জানুয়ারি মাসে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। নিগৃহীতা তরুণীর মা তাঁর মেয়ের জন্য ন্যায় বিচারের দাবি করেন। এরপর মেয়েটির পরিবারকে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য হুমকি ফোনের সম্মুখীন হতে হয়।
মেঘালয়ের টুরা জেলার দুটি স্কুল ইতিমধ্যেই মেয়েটিকে তাদের স্কুলে ভর্তি নিতে চাইনি। মেঘালয়ের সাধারণ নির্বাচনের জেরে এই ঘটনাটি এতদিন চাপা পড়ে ছিল। স্কুলগুলি মেয়েটিকে ভর্তি নিতে না চাওয়ায় আরও একবার প্রকাশ্যে এল এই ঘটনা।