কংগ্রেস-তৃণমূল কাজিয়া, অথৈ জলে মেট্রো

Update: November 18, 2012 13:18 IST

মেট্রো রেলে ইউনিয়ন গড়া নিয়ে প্রকাশ্যে এল কংগ্রেস-তৃণমূল কাজিয়া। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, আইএনটিইউসি অনুমোদিত ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসে সিংহভাগ সদস্য নতুন ইউনিয়ন গড়তে চাইছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে আগামী বছরের এপ্রিলেই মেট্রোসহ রেলের সতেরোটি জোনের নির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, অনুমোদন না থাকলে নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। ইউনিয়ন গড়ার অনুমতি এবং কর্মীদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আগামী মঙ্গলবার রাস্তায় নামছে তৃণমূল।  

রেল দফতরের নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে অধীর চৌধুরী শপথ নেওয়ার পর থেকেই এ রাজ্যে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের চাপানউতোর তীব্র হয়েছে। এবার মেট্রো রেলে নতুন ইউনিয়ন গড়ে অধীর চৌধুরীকে চাপে রাখতে চাইছে তৃণমূল। সম্প্রতি মেট্রো রেলের  আইএনটিইউসি অনুমোদিত ইউনিয়নের আঠেরো জন কার্যকারী সদস্যের মধ্যে পনেরো জন সদস্যপদ ছেড়েছেন । তাঁরা আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত নতুন ইউনিয়ন তৈরির জন্য আবেদন জানিয়েছেন। কিন্তু মেট্রো রেলওয়ে বোর্ড তাদের অনুমতি দিচ্ছে না বলে অভিযোগ মদন মিত্রের।

মন্ত্রী হওয়ার পরেই দীর্ঘদিন তৃণমূলের হাতে থাকা রেলের বিভিন্ন দূর্নীতি ফাঁস করে দেওয়ার হুমকি দেন অধীর চৌধুরী। এবার মেট্রো রেলের কর্মীদের দাবিদাওয়া নিয়ে আন্দোলনে নেমে রেল প্রতিমন্ত্রীর ওপর পাল্টা চাপ তৈরির পথে তৃণমূল।  কর্মীদের একাংশের আশঙ্কা, যেভাবে সম্মুখসমরে জড়িয়ে পড়ছে দুপক্ষ, তাতে আখেরে ক্ষতি হবে মেট্রো রেলেরই।
 

Post Your Comment

Total Comments:1

What am I reading? I have never seen them to seek permission for that what Didi wants to do.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।