ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল উত্তর ভারত

Update: March 5, 2012 15:01 IST

বিধানসভা ভোটের সম্ভাব্য ফলাফল ঘিরে প্রবল রাজনৈতিক আলোড়নের মধ্যেই ভূমিকম্পের অভিঘাতে কেঁপে উঠল উত্তর ভারত। রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তরপ্রদেশ এবং পঞ্জাবের বিস্তীর্ণ অংশে এই ভূমিকম্পের আঁচ লেগেছে। তবে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও মাঝারি শক্তির এই ভূকম্পে প্রাণহানির কোনও খবর মেলেনি।

সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে দিল্লিতে ভূকম্প অনুভূত হয়। মার্কিন মুলুকের ভূতাত্ত্বিক সংস্থার দাবি, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল, ৫.২। যদিও সরকারিভাবে ভূকম্পনের মাত্রা ৪.৯ রিখটার বলে জানান হয়েছে। কম্পন অনুভূত হয় পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের নয়ডা, গাজিয়াবাদ, গুরগাঁও, ফরিদাবাদ, বাগপত এবং পাঞ্জাব, রাজস্থান ও হরিয়ানার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। প্রায় ১০ থেকে ১২ সেকেন্ড স্থায়ী হয় কম্পন। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল হরিয়ানার বাহাদুরগড়।

Post Your Comment

Total Comments:4

I M A PRIMARY SCHOOL TEACHER ALSO A CPIM SUPORTER. WHY PM OF WB ANOUNCE THE COMENT OF SERTVICE BREAK IF SOME ATTEND TO PREVIOUS STRIKE?

what is the difference between CPIM AND TMC?

what is the difference between CPIM AND TMC?

Good news collecting capacity.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।