জম্মু সীমান্তে গুলির লড়াই, হত অনুপ্রবেশকারী জঙ্গি

Update: August 20, 2012 11:03 IST

ফের পাকিস্তানের মাটি থেকে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা হল জম্মু ও কাশ্মীরে। তবে নিয়ন্ত্রণ রেখা নয়, এবার পাক পঞ্জাব ও জম্মুর আখনুরের মধ্যবর্তী স্মীকৃত আন্তর্জাতিক সীমান্ত লঙ্ঘনের চেষ্টা চালাল জঙ্গিরা। সোমবার জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত মৃত্যু হয়েছে এক পাক অনুপ্রবেশকারীর। আজ সীমান্তের আখনুর সেক্টরে পাক রেঞ্জার্স এবং বিএসএফের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। সেই সে সময়ই গুলিতে মৃত্যু হয় ওই অনুপ্রবেশকারীর। এর ফলে জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে ফের অস্ত্র সংবরণ লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। বিএসএফ-এর দাবি, জঙ্গিদের অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিতেই সীমান্তের ওপার থেকে লাগাতার গুলিবৃষ্টি করে চলেছে পাক রেঞ্জার্স ও সেনাবাহিনী।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।