বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপার্থী হওয়ার দৌড়ে এগোলেন মোদী

Update: February 8, 2013 08:39 IST

বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পরে এবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। অশোক সিংহলের পরে এবার মোহন ভাগবত। প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে ক্রমেই পাল্লা ভারী হচ্ছে নরেন্দ্র মোদীর। নাম না করেও নরেন্দ্র মোদীকেই প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার সওয়াল করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। কিন্তু এঘটনায় বিজেপির মতবিরোধ যদিও প্রশমিত হচ্ছে না। কখনও মোদী কখনও বা অযোধ্যা ইস্যুতে বারেবারেই স্পষ্ট হয়ে পড়ছে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্বের ছবিটা।

প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হবেন। এই ইস্যুতে দ্বিধাবিভক্ত এনডিএ। মতভেদ রয়েছে বিজেপির অন্দরেই। তবু প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে বারবারই সামনে আসছে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর নাম। নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে তিনি রাজি নন বলে আগেই জানিয়েছেন নীতীশ কুমার। প্রয়োজনে এনডিএ ছাড়ার হুমকিও দিয়ে রেখেছেন। কিন্তু অত্যন্ত যোগ্য এবং জনপ্রিয়তম প্রার্থী হিসেবে মোদীকেই বর্ণনা করেছেন বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিং। সম্প্রতি প্রবীণ ভিএইচপি নেতা অশোক সিংহল খোলাখুলি সমর্থন জানিয়েছেন মোদীকে। আর এবার মুখ খুললেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। নাম না করে তাঁর মন্তব্য, দেশের নির্দিষ্ট এক রাজনীতিককে ঘিরে যে জনপ্রিয়তার জোয়ার রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তা স্মরণ রাখা উচিত।

শুধু প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী বাছাই নিয়েই নয়। অযোধ্যা ইস্যুতেও বিজেপির মতবিরোধ প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। অযোধ্যায় রাম জন্মভূমি গড়ে তোলার বিষয়ে ভিএইচপির অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছেন বিজেপি সভাপতি। রাজনাথ সিংয়ের ওই বক্তব্যকে তাঁর ব্যক্তিগত বিষয় বলে মন্তব্য করেন প্রবীণ বিজেপি নেতা জসবন্ত সিং।

লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধান বিরোধী দল বিবিধ মতানৈক্য মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়তে সক্ষম হয় কিনা, এখন তাই দেখার। প্রশ্ন থাকছে মোদী ইস্যুতে বিজেপি এবং এনডিএর মতের মিল হবে কি না তা নিয়েও।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।