প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক নরেন্দ্র মোদীর

Update: February 6, 2013 12:26 IST

গুজরাতের মসনদে তৃতীয়বার আসীন হওয়ার পর নরেন্দ্র মোদী প্রথম বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর সঙ্গে একান্ত সাক্ষাত করলেন। নরেন্দ্র মোদী আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর সঙ্গে দিল্লিতে তাঁর বাসবভনে গিয়ে দেখা করেন।

সাক্ষাতের পর মোদী জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি খুশী। তাঁদের মধ্যে বিবিধ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন। সূত্রের খবর গুজরাতের উন্নতির জন্য মোদীকে ব্যক্তিগত ভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মনমোহন সিং।

নরেন্দ্র মোদী জানিয়েছেন গুজরাতের সমস্ত আটকে থাকা প্রকল্প গুলি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে। নর্মদা সেচ প্রকল্প নিয়েও মনমোহন সিং সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী

প্রসঙ্গত, বুধবারই দিল্লির শ্রীরাম কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে দেখা করবেন নরেন্দ্র মোদী।

Post Your Comment

Total Comments:2

Narendra Modi will become next Prime Minister of INDIA & India will become more prospores.

Mr. mody is the right person for developing India.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।