মোদীর বিরুদ্ধে জোট আডবাণী-নীতিশের! আন্তরিক কথোপথনে উস্কে দিল জল্পনা

Last Updated: Monday, September 23, 2013 - 16:01

বিজেপির সঙ্গ ছাড়ার পর প্রথমবার জাতীয় সংহতি পরিষদের বৈঠকে আডবাণীর সঙ্গে দেখা হল নীতিশ কুমারের। দুজনের আন্তরিক কথোপথনই ফের উস্কে দিল রাজনৈতিক জল্পনা। নরেন্দ্র মোদীকে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা নিয়ে দলের অন্দরে তীব্র আপত্তি ছিল আডবাণীর। 
মোদী বিরোধিতার কারণেই এনডিএ ছেড়ে বেরিয়ে আসে নীতিশ কুমারের দল জেডিইউ। আজ জাতীয় সংহতি পরিষদের বৈঠকে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেননি তিনি। সেই মঞ্চেই আডবাণী-নীতিশের দেখা হওয়াকে তাই যথেষ্টই তাত্‍পর্যপূর্ণ মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
সম্পর্কে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। আর তাতেই ভেঙেছে সতেরো বছরের ঘর। তাই ভাঙা ঘর জোড়া লাগাতে মোদীকে নিয়ে মাতামাতি যে বন্ধ হওয়া দরকার, কোনওরকম রাখঢাক না করে সেকথা স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছিলেন লালকৃষ্ণ আডবাণী। বিজেপির অন্দরে শুরু হয় তীব্র টানাপোড়েন। আডবাণীর আপত্তিতে অবশ্য শেষপর্যন্ত কোনও আমলই দেয়নি রাজনাথ সিং শিবির।
প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা হয়ে যায় নরেন্দ্র মোদীর নাম। অস্বস্তি কাটাতে আডবাণীর কাছে দরবার করেন দলের তাবড় নেতারা। বরফ গলেনি টানা দুদিন। কিন্তু ছত্তিসগড়ে গিয়ে হঠাতই মোদীবন্দনা শুরু করে দিলেন আডবাণী। হাঁফ ছেড়ে বাঁচল বিজেপি।
 
বিজেপি নেতা মুক্তার আব্বাস নকভি বললেন, কোনও বিবাদ ছিলই না...। কিন্তু, সত্যিই কি মিটেছে ঘরের বিবাদ? কংগ্রেস সাংসদ রাজীব শুক্লা পুরো ঘটানাটাকে সবটাই নাটক বলে কটাক্ষ করলেন। 
 
সেই নাটকেরই একটা অঙ্ক কি হয়ে গেল সোমবার? জাতীয় সংহতি পরিষদের বৈঠকে। তাহলে কি নেহাতই দলের চাপে পড়ে মোদীর প্রশংসা করেছিলেন আডবাণী? নাকি বিজেপির বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে ফের পুরনো সম্পর্কটা ঝালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন নীতীশ কুমার? জল্পনাটা আরও বেড়েছে সোমবারের বৈঠকে নরেন্দ্র মোদীর অনুপস্থিতির কারণে। হঠাত করেই বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাহলে কি ফাটলে লাগানো পলেস্তারাটা এক সপ্তাহেই খসে পড়ল?



First Published: Monday, September 23, 2013 - 16:01


comments powered by Disqus