আজ মোহনবাগানের ভাগ্য নির্ধারণ

আজ মোহনবাগানের ভাগ্য নির্ধারণ

আজ মোহনবাগানের ভাগ্য নির্ধারণ কলকাতার ডার্বি বিতর্ক নিয়ে আজ রায় দেবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলি। রায়ের কপি হাতে পেয়ে ফেডারেশন সচিব এবং সভাপতি আলোচনা করে মোহনবাগানের ভাগ্য নিয়ে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

সোমবার নয়া দিল্লিতে ডার্বি কাণ্ডের শুনানি হয়। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘন্টা চলা এই শুনানির প্রথম দিকে মূলত ম্যাচের গণ্ডগোলের ভিডিও দেখেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলি। তারপর মোহনবাগান এবং ফেডারেশন, দুই পক্ষেরই বক্তব্য শোনেন বিচারপতি। মোহনবাগানের বক্তব্য ছিল ডার্বি ম্যাচের দিন মাঠে নিরাপত্তার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। গ্যালারি থেকে ছোঁড়া ঢিলে তাঁদের এক ফুটবলার আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন। এই অবস্থায় দল তুলে নেওয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না তাঁদের কাছে। এব্যাপারে ফিফার সংবিধানও উদ্ধৃত করেন তাঁরা।

মোহনবাগানের আইনজীবীদের বক্তব্য ছিল, আয়োজক দল হিসাবে সেদিন মাঠে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব ছিল ইস্টবেঙ্গলের। তারা এব্যাপারে পুরোপুরি ব্যর্থ। ফলে ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ার দায় তাদের। ফেডারেশনের তরফ থেকে আবার ম্যাচের ফুটেজ দেখিয়ে বলা হয় আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি বিরতির পর নিয়ন্ত্রণেই ছিল। তাছাড়া ওই মাঠেই মোহনবাগান চারটি ম্যাচ ইতিমধ্যেই আয়োজন করে ফেলেছে। ফলে মাঠের পরিকাঠামো নিয়ে অভিযোগ জানানো তাঁদের সাজে না। ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা বিরতির পর যদি মাঠে নামতে পারেন, মাঠ প্রদক্ষিণ করে যদি দর্শকদের সঙ্গে হাত মেলাতে পারেন তাহলে মোহনবাগান ফুটবলাররা কেন নামলেন না, সেই প্রশ্ন তোলেন ফেডারেশনের আইনজীবীরা। দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি গাঙ্গুলি জানিয়ে দিয়েছিলেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি তাঁর রায় জানিয়ে দেবেন। তাঁর রায়ে যদি মোহনবাগান দোষি সাবস্ত্য হয় তাহলে তাঁদের আগামী দুবছর পর্যন্ত নির্বাসিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মোহনবাগানের তরফ থেকে শনিবার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন সচিব অঞ্জন মিত্র, অর্থসচিব দেবাশিস দত্ত। মোহনবাগানের পক্ষে আইনজীবি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গীতানাথ গাঙ্গুলি, সৌরভ গাঙ্গুলি, সৌম্য চক্রবর্তি। ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ছিলেন ঊষানাথ ব্যানার্জি, জয়দীপ কর, বিল্লোদল ভট্টাচার্য। তবে শুনানিতে ফেডারেশনের কোনও কর্তা উপস্থিত ছিলেন না।

First Published: Thursday, December 27, 2012, 12:57


comments powered by Disqus