নির্বাসন মুক্ত হয়ে বাগান চলল গোয়ায়

Update: January 17, 2013 20:12 IST

নির্বাসন থেকে মুক্ত হয়ে আবার মাঠে ফিরছে মোহনবাগান। অসহ্য চাপ কর্তারা কাটিয়ে উঠলেও,মোহনবাগান কোচ-ফুটবলাররা কি পেরেছেন? ঠাসা ক্রীড়াসূচির চাপ তো রয়েইছে। তার সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জ,এই অবস্থা থেকে সমর্থকদের মুখে আবার হাসি ফোটানো। সেই দায়িত্বও কম চাপের নয়! গোয়ায় রওনা হওয়ার আগে ক্লাবের মাঠে শেষ অনুশীলনে নিজের দলের ফর্মেশনে মন দিলেন করিম।

আপফ্রন্ট ওডাফাহীন হওয়ায় টোলগের সঙ্গী হচ্ছেন সাবিথ। ভাবনায় রয়েছেন স্ট্যানলিও। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে আইবর-ইচে। দুই সাইডব্যাক হিসেবে নির্মল ছেত্রীর সঙ্গে নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে। মাঝমাঠে ডিফেন্সিভ ব্লকার হিসেবে দেখা যাবে রাকেশ মাসিকে। দুই হাফ জুয়েল ও নবি। মাঝমাঠে স্ট্যানলি না ডেনসন দেবদাস-সে নিয়ে এখনও ছক ভাঙা গড়ার কাজ চলছে কোচ করিমের।

মরসুমের শুরুতে তাঁকে ঘিরে বিতর্ক হয়েছিল। আর মরসুমে ক্লাবের নির্বাসনে নিজের ফুটবল কেরিয়ারই প্রশ্নের মুখে পড়ে গিয়েছিল।অবশেষে নির্বাসন থেকে মুক্তি পেয়ে টোলগে ওজবে নিজেকে ছাপিয়ে যেতে মরিয়া। সালগাঁওকর ম্যাচ খেলতে নামার আগে টোলগের দাবি,এখন আর হার বা ড্র নয়,জয়ই এখন তাঁর স্বপ্নে।
 
 
তবে নির্বাসন থেকে মুক্তি পাওয়ার পর প্রথম ম্যাচ অ্যাওয়ে হওয়ায় একটা আফশোস আছে টোলগের। কামব্যাকের ম্যাচে তিনি মিস করবেন মাঠে সমর্থকদের চিত্কার। পুরানো বিতর্ক নিয়ে আর মাথা ঘামাতে চাননা টোলগে।আবার গোলের মধ্যে ফিরতে চান অসি গোলমেশিন।

ফতোদরা বদলে এখন গোয়ায় আইলিগের ম্যাচ হচ্ছে মাপোসার দুলের স্টেডিয়ামে।এই নতুন স্টেডিয়ামে ফিল্ডটার্ফ থাকায় মোহনবাগান কোচ করিম চেয়েছিলেন বৃহস্পতিবার যুবভারতীতে অনুশীলন করতে। কিন্তু সকালে যুবভারতী বুকিং ছিল মহমেডান স্পোর্টিংয়ের। তাঁরা ছাড়তে রাজি না হওয়ায় অগত্যা ক্লাবের মাঠে অনুশীলন করতে হয় মোহনবাগানকে। নির্বাসন থেকে মুক্তি পেয়ে প্রথম ম্যাচ। গোয়ায় মোহনবাগান কোচ করিম মুখোমুখি হচ্ছে তাঁর প্রাক্তন দল সালগাঁওকরের। নির্বাসন থেকে মুক্তি পেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা কোচ করিম একদমই পেশাদার।
  
বেশ কিছুদিন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেনি মোহনবাগান। তাই সেরা ফর্মে ফিরতে এক-দুটো ম্যাচ লাগবে বলে মনে করেন মোহনবাগান কোচ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।