অগ্নিপরীক্ষায় ফেল কাশ্যপ, টোলগেরাও

Update: October 12, 2012 19:08 IST

মোহনবাগান (১) প্রয়াগ ইউনাইটেড (২)

কাশপ্যের আমলে মোহনবাগান আছে মোহনবাগানেই। দুঃস্বপ্নের মরসুমে যোগ হল আরও একটা হার। শুক্রবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান হারল ১-২ গোলে প্রয়াগ ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে। কলকাতার নতুন ডার্বিতে মোহনবাগান ওডাফার গোলে এগিয়ে থেকেও হারল কোচের ভুলে, দলের খারাপ ফিটনেসের জন্য।

হারের পর মোহন কোচ সন্তোষ কাশপ্যের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল। অনেকই বলছেন, কাশ্যপের বিদায় এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। এই মরসুমে কাশ্যপের মার্কশিটে হিসাব দাঁড়াল, পাঁচ ম্যাচ খেলে তিনটেতে হার। ফেড কাপে মহাব্যর্থতার পর আই লিগেও হারের সরণিতে মোহনবাগানের রথ।

ওডাফা, টোলগে নামের দিক থেকে দেশের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার দলে থাকা সত্ত্বেও মোহনবাগান আই লিগে দুটো ম্যাচ খেলে দুটোতেই হার। ম্যাচের পর ফেসবুক, টুইটার জুড়ে বাগান সমর্থকদের হতাশা যে চরমে তা ধরা পড়ল।

এদিন ম্যাচের ১৮ মিনিটে ওডাফার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর বোঝাই যায়নি আজ বাগানে কত দুঃখ অপেক্ষা করে আছে। ম্যাচের ২৭ মিনিটে খেলেম্বা সিংয়ের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে প্রয়াগ এরপর ম্যাচ যত গড়িয়েছে মোহনবাগান তত খেই হারিয়েছে। বিরতির ঠিক আগে দলের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন ভিনসেন্ট।

সব মিলিয়ে বাঙালি কোচ সঞ্জয় সেন বাগান কর্তাদের বার্তা দিলেন। এখন প্রশ্ন উঠছে কে প্রথম কাশপ্যকে কোচ করার কথা ভেবেছিলন। নিশ্চিত কোন বাগান কর্তা নিজের ঘাড়ে আর এই উত্তরের দায় নিতে চাইবেন না।

মোহনবাগান-- অরিন্দম, নির্মল, ইচে (রাজীব), খেলেম্বা, নবি, জুয়েল (স্নেহাশিষ), মনীশ, ডেনসন, ওডাফা, টোলগে, সাবিথ (স্ট্যানলি)

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।