মিশন সাঁলগাওকরে বাগানের ভরসা `ছায়া মানুষ`

Update: November 12, 2012 22:32 IST

করিম জমানা শুরু হওয়ার আগে বাগানে স্বাধীনভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত মৃদুলের শেষ ম্যাচ। সালগাঁওকর ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। স্ট্র্যাটেজি মিলিয়ে চলছে প্রস্তুতি। ডেভিড বুথের দলের বিরুদ্ধে পুরো তিন পয়েন্ট পেতে এবার সালগাঁওকর ম্যাচের সিডি খুঁজছেন মোহনবাগান কোচ মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়। চার্চিল ব্রাদার্স-সালগাঁওকর ম্যাচের সিডি জোগাড় করার চেষ্টা হচ্ছে। রবিবাসরীয় প্রতিপক্ষ সালগাঁওকরকে করিম হাতের তালুর মত চেনেন। তবে সাব্রোসা-রুনিদের দলের শক্তি-দুর্বলতা নিয়ে কোচ মৃদুলের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেননি করিম। মৃদুল মনে করেন,এ কজন পেশাদার কোচের এমনই হওয়া উচিত। বোঝাই যাচ্ছে করিম বাগানের এই ম্যাচে ছায়া মানুষ হয়ে ঘুরবেন।
 
সোমবার এআইএফএফের নিয়ামানুযায়ী নবি-স্নেহাশিস-বিশ্বজিত সাহা সহ মোহনবাগানের পাঁচ জন ফুটবলার মেডিক্যাল টেস্ট করতে যাওয়ায় এদিন অনুশীলনে আসেননি। মঙ্গলবার আরও পাঁচজন ফুটবলার মেডিক্যাল টেস্ট করাতে যাবেন।

তিনি আটকালেই আটকে যাচ্ছে মোহনবাগান। একটা গোলের জন্য ওডাফার উপর দুঃসহ চাপ। আর সেই চাপ নিয়ে সাফল্যে খুঁজে বেড়াচ্ছেন। ওএনজিসি ম্যাচে গোল না পাওয়ায় হতাশ ওডাফা এবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন। আর পারফরম্যান্সের পরিবর্তনের আগে,গোলমেশিন বদলে ফেললেন হেয়ারস্টাইল। অনুশীলন শেষে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে জানালেন শুভ দীপাবলি। আশ্বস্ত করলেন, আলোর উত্সবের পর অন্ধকার কেটে যাবে তাঁর দলের। এদিকে সালগাঁওকর ম্যাচে চোট কাটিয়ে জুয়েল রাজা ফিরলেও, মনীশ মাথানির দলে ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
 
দায়িত্ব পাওয়ার পর মৃদুলের হাত ধরে হঠাত্‍ই যেন বদলে গিয়েছে মোহনবাগান। চারটি ম্যাচের মধ্যে তিনটি জয় ও একটি ড্র। সামনে সালগাঁওকর ম্যাচ। মোহনবাগানের পারফরম্যান্সের চাকা ঘোরানো কোচ মৃদুলের দাবি, ফুটবলারদের মানসিক ও ফিটনেস সংক্রান্ত কিছু পরিবর্তনেই সাফল্য এসেছে। আই লিগে পাঁচ ম্যাচে সাত পয়েন্ট পাওয়া মোহনবাগানের এখান থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়া সম্ভব বলে মনে করেন মৃদুল বন্দ্যোপাধ্যায়।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।