তৃণমূলে যোগদানে গররাজি হওয়ায় শ্লীলতাহানি

Update: April 18, 2012 13:29 IST

তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য গত ২ মাস ধরেই দেওয়া হচ্ছিল হুমকি। শনিবার রাতে তা পরিণত হল পরিকল্পিত আক্রমণে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের মারিশদা থানার কানাইদিঘিতে। আক্রান্ত মহিলা অভিযোগ করেছেন, প্রথমে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। পরে তাঁকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে বলেও থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তাঁর ছেলে। অপমানে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হতে যান ওই মহিলা। তাঁকে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

২ মাস আগে আক্রান্ত মহিলার স্বামীকে হুমকি দেওয়া হয় তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য। বাড়িতে ঢুকে তাঁকে মারধরও করা হয়। আতঙ্কে রাজ্যের কোনও হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি তিনি। বর্তমানে ওড়িশার এক হাসপাতালে চিকিত্সাধীন তিনি। ঘটনায় মোট ২১ জন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত মহিলার ছেলে। তবে, পুরো অভিযোগই অস্বীকার হয়েছে তৃণমূলের তরফে। গোটা ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। নিন্দায় সরব হয়েছেন বিশিষ্টজনেরা।






Post Your Comment

Total Comments:9

didi abang didir mantri ra er janna daye, erai bakkya bane hinsa charachche

THIS IS CALL ``PARIBARTAN``.ENJOY IT. THOSE R BELIVE IN DIS...............I REALLY................

DIDI K BOLON ONA K NI A METRO CHANEL A BOSTAY o TOH MOHILA ONAR PROSASON AAR ONI KI MOJA NICH A?KHAMOTaATAY ASBAR AAGAY TOh ANEK AANDOLON KORTEN ONAR ADVISER AHKALYAN KI BALEN

trinomuler atyachar berei cholechhe... er protikaar hoa darkar....mananiya mukkha mantri ebar ki hobe apnar bichare? bolun...

ছিঃ ছিঃ এ কি লজ্জা... আর কতো কি দেখবো!!

এটা মমতা দিদির মস্তান বাহিনীর কাজ তাই এটা তেমন কোন দোষ নয়.এই মস্তানরাই দিদিকে ভোটে জিতিয়েছে তাই আইন,পুলিশ ওদের কিছুই করতে পারবে না.জয় মমতার জয়.আর মাত্র 4 বছর.

এটা মমতা দিদির মস্তান বাহিনীর কাজ তাই এটা তেমন কোন দোষ নয়.এই মস্তানরাই দিদিকে ভোটে জিতিয়েছে তাই আইন,পুলিশ ওদের কিছুই করতে পারবে না.জয় মমতার জয়.আর মাত্র 4 বছর.

mone to hoche eta sajano gotona. Birodi doler kutsa. MANOBOTA, SOHISNUTA KE amader bisorjon dite hobe.

মাননীয়া মখ্য মন্ত্রী আপনি ও একজন মহিলা ,বিবস্ত্র কথাটা যখন লেখা হই তখন আপনার সরির তা কেপে উঠেনা ,আপনি কি পারেন না এটার সল্প সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে দোষীদের কঠোর থেকে কঠোরতম সাস্তি ব্যবস্থা করতে.তর্কের খতিরে ধরে নিলাম মিডিয়া বাড়িয়ে বলছে .কিন্তু কিছু তো একটা ঘটেছে .যেটা একজন পুরুষের ক্ষেত্রে ঘটলে এতটুকু বলতে পারত না .এরকম ঘটনা অনেক ঘটছে ,যেটা হইত অনেকে জন সম্মুখে প্রকাশ করতে পারছেনা .রাজনীতির উর্ধ্যে উঠে মহিলাদের ব্যপারটা একটু দেখুন

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।