মুক্ত অভিযুক্ত, আতঙ্কে দিন কাটছে নির্যাতিতার

Update: March 3, 2012 19:28 IST

স্থানীয় যুবকের বিরুদ্ধে থানায় প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক তরুণী। পুলিস অভিযিক্তকে গ্রেফতার করলেও জামিনে ছাড়া পেয়ে যান ওই যুবক। তারপর থেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণীর গাছতলা এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণী ও তাঁর পরিবার।  সুবিচারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।    

১৮ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে দশটা নাগাদ পাড়ার দোকান থেকে ফিরছিলেন বাঁশদ্রোণীর বাসিন্দা ওই তরুণী। সেই সময়, বাচ্চু নামে এক  যুবক তাঁর পিছু ধাওয়া করে। ভয় পেয়ে তরুণী দৌড়তে শুরু করলেও বাড়ির কাছে তাঁকে ধরে ফেলে ওই যুবক। এরপরই তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ।

২০ তারিখ পাটুলি থানায় জেনারেল ডায়রি করা হয়। এফআইআর দায়ের হয় ২৩ তারিখ। কয়েকদিন পর বাচ্চুকে গ্রেফতার করে পুলিস। শ্লীলতাহানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ৩৫৪, ৩২৩ ও ৩৪১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। যদিও, পরে আদালতের নির্দেশে জামিনে ছাড়া পেয়ে যায় সে। অভিযুক্ত জামিন পাওয়ার পর থেকেই আতঙ্কে দিন কাটছে ওই তরুণী ও তাঁর পরিবারের। 
 
বাঁশদ্রোণীর ৪১বি বাসস্ট্যান্ডে অভিযুক্ত যুবকের চায়ের দোকান রয়েছে। এর আগেও সে ওই তরুণীকে উত্যক্ত করত বলে অভিযোগ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।