ফের শ্লীলতাহানি এনআরএসে

Update: March 6, 2013 21:40 IST

দুদিনের মাথায় ফের এনআরএস হাসপাতালে শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটল। এক সন্তানসম্ভবা মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠলো হাসাপাতালের সাফাইকর্মী পাঁচু বাগদির বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত পাঁচু বাগদিকে গ্রেফতার করেছে এন্টালি থানার পুলিস।

সন্তানসম্ভবা মহিলাকে একটানা প্রায় ছঘণ্টা জেরা করায় প্রশ্নের মুখে পুলিস প্রশাসন। মঙ্গলবার হাসপাতালের আউটডোরে চিকিত্‍সা করাতে আসেন প্রগতি ময়দান থানা এলাকার বাসিন্দা এক মহিলা। তাঁকে এক্সরে করাতে বলেন চিকিত্সক।  অভিযোগ, দুপুর দেড়টা নাগাদ এক্স-রে রুমে নিয়ে গিয়ে ওই মহিলার  শ্লীলতাহানি করে হাসপাতালেরই এক সাফাইকর্মী পাঁচু বাগদি।

এরপরই  অন্যান্য কর্মীদের হাতে ধরা পড়ে যায় পাঁচু। ঘটনার পর হাসপাতাল সুপারের কাছে এবং হাসপাতালের পুলিসফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ডিসি ইএসডির উপস্থিতিতে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় পাঁচুকে। 

দুদিন আগেই অ্যানাস্থেসিয়া করার সময় এন আর এস হাসপাতালের ওটিতে এক রোগিণীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় অভিযুক্ত হয় হাসপাতালের ওয়ার্ড বয় রবি প্রামানিক। মঙ্গলবারই অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয়কে গ্রেফতার করে পুলিস। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় প্রশ্নের মুখে এনআরএসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তবে এনিয়ে কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি হাসপাতালের সুপার। শুধুমাত্র অভিযুক্তকেই নয়, জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় নিগৃহীত মহিলাকেও। দুপুর দেড়টা থেকে পৌনে সাতটা। টানা প্রায় ছ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস। ঘটনার পর একজন সন্তানসম্ভবা মহিলার শারীরিক পরীক্ষা না করে কিভাবে তাঁকে একটানা জেরা করা হল তাও আবার উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে? বুধবারের ঘটনার পর  পুলিসের এই অমানবিক মুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিত্সা পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সরকারি হাসপাতালে রোগিনীর সম্ভ্রমও এবার বিপন্ন। এনআরএস হাসপাতালের পরপর ঘটনা অন্তত তাই বলছে।






Post Your Comment

Total Comments:3

amather lajja hoya uachit amra loker kache boli j amra kolkata te thaki.

PARK STREET KANDOKE MAMATA BANERJEE SAJANO GHATONA BOLE, DHARSOKDER UTSAHITO KORE CHILEN, ESOB TAI FAL.

Esab abhijog tadanto kare police dekhteii pare... parchur false cae to hoiii ... Law says 100 jan doshi charapak thik achye .. but 1 niropradh jeno sasti na pai

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।