অসমের বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনমোহন, সোনিয়া

Update: July 2, 2012 10:42 IST

বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আজ একদিনের জন্য অসম সফরে এলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। এদিন দুপুরে বিশেষ বিমানে তাঁরা জোরহাটে পৌঁছন তাঁরা। সেখান থেকে আকাশপথে তাঁরা বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করতে যান। অন্যদিকে বিজেপি`র পক্ষ থেকে এদিন অসমের বন্যাকে `জাতীয় বিপর্যয়` হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানান হয়েছে কেন্দ্রের কাছে।

অসমে বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল আকার ধারণ করছে। মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। ব্রহ্মপুত্র সহ বেশ কয়েকটি নদীর জল এখনও বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। ২২টি জেলার প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ জলবন্দি। প্রায় ৪৫ লক্ষ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। বেশ কিছু রেললাইন, সড়ক, জলের তলায়।


উত্তর-পূর্ব ভারতের বৃহত্তম রাজ্যের সম্প্রতিক বন্যায় প্লাবিত হয়েছে নওগাঁ ও গোলাঘাট জেলা-স্থিত বিশ্বখ্যাত 'ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট' কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যানের বিস্তীর্ণ অংশ। এর ফলে গণ্ডার, হরিণ, হাতি-সহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীরা অনতিদূরের ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক পার হয়ে কার্বি আংলং পাহাড়ের উঁচু জায়গায় চলে যেতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটেছে। গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে কয়েকটি বন্যপ্রাণীর।

এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে সমস্ত রকম সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে কথা বলেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনির সঙ্গে। উদ্ধার এবং ত্রাণ কাজে সেনাকে সাহায্য করতে বলেছেন তিনি। পাশাপাশি মৃতদের পরিবার পিছু এক লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।




Post Your Comment

Total Comments:2

The dangerous flood situation in Assam is worsening day to day. The Prime Minister has inspected the situation and declared some reliefs for the victim. IS it the real solution? Actually at present Congress is trying to bolster its image which has tremendously maligned due to spectrum scam & other scandals. This declaration is nothing but the VOTE POLITICS.

The dangerous flood situation in Assam is worsening day to day. The Prime Minister has inspected the situation and declared some reliefs for the victim. IS it the real solution? Actually at present Congress is trying to bolster its image which has tremendously maligned due to spectrum scam & other scandals. This declaration is nothing but the VOTE POLITICS.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।