ফোর্বস তালিকায় সোনিয়া, মনমোহন, শীর্ষে ওবামা

Update: December 6, 2012 23:26 IST

`ফোর্বস`এর ক্ষমতাশালীদের তালিকায় প্রথম ২০ জনে জায়গা করে নিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তবে এই নিয়ে পরপর দু`বছর শীর্ষস্থানে রইলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যারাক ওবামাই। তালিকায় আছেন রিলায়েন্সে ইন্ডাস্ট্রির প্রধান মুকেশ আম্বানি এবং আরসেলর মিত্তলের সিইও লক্ষ্মী মিত্তল।

গতবারের থেকে এক ধাপ নামলেও এবছর দ্বাদশ স্থানে রয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। চিনের নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট লি কেকিয়াং এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলান্দের আগেই জায়গা পাকা করে নিয়েছেন। খুব তাড়াতাড়ি সোনিয়া-তনয়ও যে তালিকাতে স্থান পাবে তারও ইঙ্গিত দিয়েছে ফোর্বস।

বিশতম স্থানে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। গতবছর ১৯তম স্থানে ছিলেন তিনি।

সাঁইত্রিশতম স্থানে রয়েছেন মুকেশ আম্বানি। গোল্ডম্যান সাক্সের প্রাক্তন আধিকারিক রজত গুপ্তর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার নেতিবাচক প্রভাব পরেছে জানা গিয়েছে। সাতচল্লিশতম স্থানে রয়েছেন লক্ষ্মী মিত্তল।

তবে সর্বসম্মতিক্রমেই গৃহীত হয়েছে প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রথম স্থান। গত বছরের চতুর্থস্থান থেকে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছেন জার্মানি চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেল। এছাড়াও এই তালিকায় স্থান পাওয়া উল্লেখযোগ্যরা হলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (৩), মাইক্রোসফটের প্রধান বিল গেইটস (৪), নবনির্বাচিত চিনের কম্যুনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক শি জিংপিন (৯), গুগলের প্রধান ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন (২০), ইরানের সুপ্রিমো আলি খমেইনি (২১), রাষ্ট্রসংঘের প্রধান বান-কি-মুন (৩০), উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন (৪৪) এবং প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন (৫০)।

Post Your Comment

Total Comments:1

Aha re list e kothao Mamtar naam nei!!! Uni ekhan nijeke besh khamotaban mone karen.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।