সুষমা স্বরাজের সঙ্গে দেখা করে ফের সুর চড়াল মোর্চা

Update: February 2, 2013 15:29 IST

পৃথক তেলেঙ্গানা হলে পৃথক গোর্খাল্যান্ডও করতে হবে। নাহলে জিটিএ ছেড়ে ফের আন্দোলনে নামবে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। আজ বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠকের পর এমনই হুঁশিয়ারি দিলেন মোর্চা নেতারা। তাঁদের মতে এক সমস্যার পৃথক সমাধান কখনই সম্ভব নয়।

বৈঠকের পর মোর্চা নেতা হরকা বাহাদুর ছেত্রী জানান, তাঁদের নেতা রোশন গিরি সুষমা স্বরাজের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন। তিনি এও বলেন, "মোর্চার আন্দোলনকে বিজেপি সমর্থন করবে কিনা সেই নিয়ে নেত্রী স্থানীয় সাংসদ জসবন্ত সিং-এর সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিজেপি আগেই জানিয়েছে নীতিগত ভাবে তারা ছোট রাজ্য গঠনের পক্ষে। কিন্তু মাত্র ৩টি মহকুমা নিয়ে পৃথক রাজ্য গড়া যায় না বলেও রাজ্য বিজেপি জানিয়েছে। তবে রাজ্য থেকে একজন সাংসদ জিতিয়ে আনার স্বার্থে বিজেপি এর আগে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার আন্দোলনে সায় দিয়েছিল। কিন্তু পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য গড়ার আন্দোলনে সমর্থন জানানো হবে কি না সেই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নেবে বলে জানায় রাজ্য বিজেপি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহা বলেছিলেন, “নেহাত চমক সৃষ্টির জন্য জিটিএ চুক্তি করে রাজ্য সরকার কার্যত পাহাড়ে আলাদা রাজ্য গঠনের দাবিকে উৎসাহ জুগিয়েছে।”


জানুয়ারির ২৮ তারিখ থেকে যন্তর-মন্তরে ধরনা দিচ্ছেন মোর্চা নেতা-কর্মীরা। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে বিজেপিকে সক্রিয়ভাবে পাশে পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন করার অনুরোধ জানিয়ে এর আগে লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে দেখা করেন রোশন গিরি। শনিবার সুষমা স্বরাজের সঙ্গে দেখা করলেন তাঁরা।








Post Your Comment

Total Comments:2

Aare Gurunda, Roshon Da, Aponader Dhop diyeche. Ato boka keno apnara?

Separate state,Separate state ??????? How many separate states will be giving and howlong???????? In northeast there r several outfits who r egarly waiting with guns in hand. If a gang of few people with sofisicated arms in hand demands separate land for them how long it is justified to bowdown before them?????? PLEASE STOP ALL THESE RUBBISH POLITICAL GAMES, otherwise days r not far INDIA will be splited to several such LANDS. and smash them with firm hand.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।