গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটাতে সংগঠনের দায়িত্বে মুকুল

Update: November 30, 2012 09:55 IST

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে উত্তর ২৪ পরগনার সাংগঠনিক দায়িত্বে মুকুল রায়কে বসাতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার, জেলার সাংসদ-বিধায়ক এবং ব্লক সভাপতিদের নিয়ে এক বিশেষ বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বাসভবেনই বৈঠক হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের সংগঠন মজবুত করার পাশাপাশি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মেটাতে নেতাদের নির্দেশ দিতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জেলায় ক্রমশ বেড়ে চলা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, সিন্ডিকেট ব্যবসা নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী লড়াই ঠেকাতে এবার আসরে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে উত্তর চব্বিশ পরগনার বিধায়ক, সাংসদ এবং ব্লক সভাপতিদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। পঞ্চায়েতের আগে দলীয় সংগঠন ঢেলে সাজাতেই তড়িঘড়ি এই উদ্যোগ।

গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটিয়ে সংগঠনকে মজবুত করার জন্য নেতাদের নির্দেশ দিতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী। উত্তর ২৪ পরগনায় গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ২০০ও বেশি। পঞ্চায়েত সমিতির সংখ্যা বাইশটি। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের পর সংখ্যালঘু মানুষজনের বসবাসের নিরিখে এই জেলা রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে পঞ্চায়েতের আগে এই জেলা নিয়ে বেশ চিন্তিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, সংগঠন আরও মজবুত করতে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়কে জেলার বিশেষ দায়িত্বে আনা হচ্ছে । পূর্ণেন্দু বসু, সৌগত রায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, এরকমই অন্তর্দলীয় গোষ্ঠীকোন্দল থেকে দলকে চাঙ্গা করতেই এই বিশেষ বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী ডেকেছেন বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।

Post Your Comment

Total Comments:4

বিড়ালকে দিছে মাছ পাহারাদিতে।উনি গস্তি দন্দ থিক করবেন,উনি তলা বাজি বন্ধ করবেন,উনি সিন্ডিকেট বন্ধ করবেন।কিন্তু উনি একায় এত গুল প্রতিষ্ঠানের মালিক হবেন।মুখ্য মন্ত্রি এখন লক চিন্তে সময় লাগবে।তায় উনাকে কিছু সময় দেওয়া হোক ।সবেত ২০ মাস হছে।এর মধ্যে সব কিছু গুছিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

birodhi doler dorkar ki, era to nijerai nijeder birodhi.

রবীন্দ্রনাথ ছাড়াই সিঙ্গুরে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ?

CHOBITE DAN HATER CHARTE ANGULE ANGTI DEKHCHI BAHATE KI ACHE DEKHA JACHENNA, GOSTIKONDAL METATE BAHATE KICHU PATHAR DHARAN KARUN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।