পশ্চিমবঙ্গে দুই নৌকায় পা রেখে চলবেন মুলায়ম

Update: September 13, 2012 16:18 IST

লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এবং বিজেপির থেকে সমদূরত্ব বজায় রেখে একাই লড়াই করবে সমাজবাদী পার্টি। কলকাতায় নিজের দলের সম্মেলনের শেষে এই অবস্থানের কথাই জানালেন সপার সুপ্রিমো মুলায়ম সিং যাদব। তবে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে দুই কূল রেখেই পথচলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। অখিলেশ যাদবকে পাশে বসিয়ে মুলায়মের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বোনের মতো। তবে বামেদের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ভালো।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাঝপথে তৃণমূল নেত্রীকে ছেড়ে চলে গেলেও এখন আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মুলায়ম সিং যাদব। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বোন হলে বামেদের ক্ষেত্রে তাঁর দলের অবস্থান কী হবে সেটাই ছিল সাংবাদিক সম্মেলনে আসা অধিকাংশ প্রতিনিধির সবথেকে বড় প্রশ্ন। মুলায়মের অভিমত বামেদের সঙ্গেও তাঁদের সুসম্পর্ক। কেন দুই নৌকায় কেন পা রেখে চলতে চাইছে সমাজবাদী পার্টি সেই প্রশ্নের উত্তর যদিও মেলেনি।

গতকাল জাতীয় সম্মেলনেই তৃতীয় ফ্রন্ট গড়ার ডাক দিয়েছিলেন পার্টির সুপ্রিমো মুলায়ম সিং যাদব। অকংগ্রেসি, আর অবিজেপি দলগুলোকে নিয়েই এই তৃতীয় ফ্রন্ট গড়া হবে বলে মুলায়ম জানালেন। দিল্লির ঘোলা জলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সপ্ন দেখতে শুরু করেছেন মুলায়ম সিং যাদব। আর সেই লক্ষে পৌঁছতে গেলে শত্রু-মিত্রের বাধ বিচার করে যে কোনও লাভ নেই, তাও বিলক্ষণ জানেন এই পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদ। একই সঙ্গে সমাজবাদী পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ে বামফ্রন্টের প্রতি তাদের বেশি আস্থা আছে।









Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।