কেন্দ্রকে সমালোচনার খেসারত, মুম্বইয়ে বন্ধ হল রেঁস্তোরা

প্রতিবাদ বা সমালোচনা, কোনটাই ভাল ভাবে গ্রহণ করতে পারেন না এদেশের রাজনৈতিক নেতারা। তাঁদের সহনশীলতাও শূন্যের কাছাকাছি থাকতে প্রতিবাদি বা সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে চিরকালই রাষ্ট্র অথবা ক্ষমতাশীল দল অতি সক্রিয়। এই প্রতিষ্ঠিত সত্যিটা আরও একবার প্রমাণিত হল। এবার ঘটনাস্থল মুম্বই। ইউপিএ সরকারের সমালোচনা করার ফল হাতেনাতে পেলেন এক রেঁস্তোরা মালিক। কংগ্রেস নেতাদের দাপটে তালাচাবি দিতে হল রেঁস্তোরার দরজায়।

Updated: Jul 23, 2013, 12:11 PM IST

প্রতিবাদ বা সমালোচনা, কোনটাই ভাল ভাবে গ্রহণ করতে পারেন না এদেশের রাজনৈতিক নেতারা। তাঁদের সহনশীলতাও শূন্যের কাছাকাছি থাকতে প্রতিবাদি বা সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে চিরকালই রাষ্ট্র অথবা ক্ষমতাশীল দল অতি সক্রিয়। এই প্রতিষ্ঠিত সত্যিটা আরও একবার প্রমাণিত হল। এবার ঘটনাস্থল মুম্বই। ইউপিএ সরকারের সমালোচনা করার ফল হাতেনাতে পেলেন এক রেঁস্তোরা মালিক। কংগ্রেস নেতাদের দাপটে তালাচাবি দিতে হল রেঁস্তোরার দরজায়।
নতুন বাজেটে এসি রেঁস্তোরায় খেতে গেলে এখন দিতে হয় অতিরিক্ত কর। সূত্রে খবর, ওই রেঁস্তোরার মালিক শ্রীনিবাস শেট্টি সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে অভিনব পন্থা বেছে নিয়েছিলেন। কিছুটা মজার ছলেই খাবারের বিলে ছাপিয়ে ছিলেন ``ইউপিএ সরকারের মতে টাকা খাওয়া ( টুজি, কোল, সিডব্লুজি কেলেঙ্কারি) প্রয়োজনীয় কিন্তু এস রেঁস্তোরাতে খাওয়াদাওয়া করা বিলাসিতা।``
এতেই কাল হল শ্রীনিবাস বাবু। রাজনৈতিক নেতাদের রসবোধ যে তলানিতে ঠেকেছে তার প্রমাণ দিতে সোমবার তাঁর রেঁস্তোরা `অদিতি পিওর ভেজ`-এ হামলা চালায় কংগ্রেস কর্মীরা। মুম্বই যুব কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট গণেশ কুমার যাদব সগৌরবে নেতৃত্ব দেন সেই হামলার। তাঁকে পূর্ণ সহযোগিতা করেন বিধায়ক কালিদাস কোলাম্বকর। শুধু তাই নয় হামলাকারীরা শ্রীনিবাস শেট্টির কাছে দাবি করেন যে দিল্লি থেকেই নাকি তাঁদের এহেন করার নির্দেশ এসেছে।
অবশ্য শুধু হামলা করেই ক্ষান্ত দেননি কংগ্রেস কর্মীরা। ভোইবাড়া পুলিস স্টেশনে ওই রেঁস্তোরা মালিকের নামে মানহানির অভিযোগ করেন তাঁরা। পরে শ্রীনিবাস শেট্টির বিরুদ্ধে ভারতীয় পিনাল কোডের ৫০১ নম্বর ধারায় একটি মামলাও করা হয়।