জঙ্গিপুরে বামফ্রন্টের প্রার্থী মুজফফর হোসেন

Update: September 8, 2012 21:48 IST

মু্র্শিদাবাদের জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। প্রার্থী হচ্ছেন সিপিআইএমের মুজফফর হোসেন। কংগ্রেস বা তৃণমূল  কোনও দলই অবশ্য এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি। জোট প্রার্থী দেওয়া হবে, নাকি দুই দল আলাদা প্রার্থী দেবে তা নিয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। দুই শরিকের কাজিয়ায় আপাতত সরগরম জেলার রাজনীতি।

প্রণব মুখোপাধ্যায় রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তাঁর লোকসভা কেন্দ্র জঙ্গিপুরে উপনির্বাচন আগামী ১০ অক্টোবর। ভোটে প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে দিল্লিতে সিপিআইএমের পলিটব্যুরো বৈঠকে আলোচনা হয় শনিবার। এরপরই ঘোষণা করে দেওয়া হয় প্রার্থীর নাম। মুর্শিদাবাদ জেলা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে তুলে ধরা হয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি। খোদ রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কেন্দ্রেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের অভিযোগ তুলেছে সিপিআইএম। ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ থেকে বিড়ি শ্রমিকদের উন্নয়নে সহযোগী ভূমিকা পালন করা, সবক্ষেত্রেই কংগ্রেস ব্যর্থ বলে অভিযোগ বাম নেতাদের।
 
 
একই সুরে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন বামফ্রন্ট প্রার্থী মোজাফফর হোসেন নিজেও। বামেরা প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিলেও, এনিয়ে বিপক্ষ দুই শিবিরে এখনও কাজিয়া তুঙ্গে। জোট প্রার্থী না একক প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি এই বিষয়টিও। প্রণবপুত্র অভিজিত মুখার্জির প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা ছিলই। কিন্তু এর মধ্যেই ওই আসনে লড়তে চেয়ে প্রদেশ কংগ্রেস ও হাইকমান্ডের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেসের নেতা অতীশ সিনহা। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে শনিবার জঙ্গিপুরে মহকুমা শাসকের দফতরে যান জেলাশাসক ও পুলিস সুপার। বৈঠকে আলোচনা হয় নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও।     
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।