সেরে উঠছেন নবি

Update: December 10, 2012 20:30 IST

কালকের ম্যাচে আহত মোহনবাগানের রহিম নবির অবস্থা এখন স্থিতিশীল। আজ দুপুরেই অস্ত্রোপচার হয় নবির। এদিন সকাল থেকেই হাসপাতালে নবিকে দেখতে আসেন দুই শিবিরের কর্তা ও ফুটবলাররা।

মোহনবাগান সচিব অঞ্জন মিত্র সহ আসেন অনেক কর্তারাই। নবিকে দেখতে আসেন শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত, দেবব্রত সরকারের মত ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তারাও। তাঁকে দেখতে আসেন সহ খেলোয়াড়রাও। টোলগে-করিমের পাশাপাশি সুশান্ত ম্যাথু, সুবোধকুমার, ইসফাকরাও হাসপাতালে আসেন নবিকে দেখতে।

রবিবার ডার্বি ম্যাচে দর্শকের ছোঁড়া ইটের আঘাতে জখম হন রহিম নবি। একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। মাথায় চারটি সেলাই পড়েছে নবির। সিটি স্ক্যানে কিছু না মিললেও কান ও চোয়ালের হাড়ের মাঝে চিড় ধরেছে তাঁর। সোমবার দুপুরে অস্ত্রোপচার হয় নবির।

ম্যাচের পর রবিবার রাতেই হাসপাতালে নবিকে দেখতে যান দুই শিবিরের কর্তারা। হাসপাতালে যান ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র। রাতে নবিকে দেখতে হাসপাতালে যান আইএফএ সচিব উত্‍‍‍পল গাঙ্গুলি।

আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিনের মধ্যেই হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে নবিকে। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, পুরো সুস্থ হয়ে মাঠে ফিরতে কমপক্ষে দেড়মাস সময় লাগবে নবির।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।