শিল্প সম্মেলনে সফল, মোদীর মুখে হাসি

Update: January 12, 2013 20:42 IST

গুজরাটের সাফল্য ভারতের সাফল্য। ভাইব্রান্ট গুজরাট সম্মেলনে এমনই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিনিয়োগকারীদের স্বতস্ফূর্ত যোগদানে এবারও যথারীতি সফল গুজরাটের শিল্প সম্মেলন। দ্বিতীয় দিনেই ২৬ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব সহ ১২টির বেশি মউ স্বাক্ষর হয়েছে।  

সম্মেলনের প্রথম দিনটা কেটেছিল শিল্পমহলের প্রশস্তি আর অভিনন্দন নিতেই। শনিবার থেকেই বিনিয়োগ টানতে পুরোদমে নেমে পড়ল টিম মোদি। এদিনই পেট্রোরসায়ন ও শক্তিক্ষেত্রে ছাব্বিশ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব সহ মোট বারোটি মউ স্বাক্ষর হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছে মুকেশ অম্বানির রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও টাটা গোষ্ঠীও। মোদির দাবি, এই সাফল্য শুধু গুজরাটের নয়, গোটা দেশের।

তবে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে গুজরাটের অগ্রগতির গতি কিছুটা কম। চিনা উত্পাদনকারীদের দাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে যথেষ্টই কোণঠাসা তারা। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বৃদ্ধির চেনাছন্দে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছে গুজরাট সরকার। শিল্পে অগ্রগতি নিয়ে আত্মবিশ্বাসী মোদি, পরবর্তী সম্মেলনের জন্যও আগাম আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীদের।

ভারী শিল্প বিনিয়োগ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে উন্নয়নের পরিকল্পনার পাশাপাশি, পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও কিছু এবার মউ স্বাক্ষর করেছে গুজরাট সরকার। ডেনমার্ক সরকারের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হয়েছে জল পরিশোধন সংক্রান্ত চুক্তি। বিশেষ বিমান পরিবহণের বিষয়ে গুজরাট সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করেছে থাই এয়ারওয়েজ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।