অক্টোবরেই মোবাইল ফোনে উঠছে রোমিং পরিষেবা

Update: March 7, 2013 19:03 IST

ট্রাইয়ের সবুজ সঙ্কেত পেলেই মোবাইল ফোনে জাতীয় রোমিং পরিষেবা তুলে নেবে কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রক। সেক্ষেত্রে লোকাল রেটেই ফোন করা যাবে এবং ফোন রিসিভ করলে কোনও চার্জ লাগবে না। বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ন্যাশনাল ইন্টারনেট রেজিস্ট্রি সিস্টেমের উদ্বোধন করে একথা জানালেন টেলিকম মন্ত্রী কপিল সিব্বল। ফলে রোমিং-এর জন্য কোনও গ্রাহককে বাড়তি টাকা গুনতে হবে না। চলতি বছর অক্টোবরের মধ্যেই জাতীয় রোমিং পরিষেবা তুলে নেওয়া হবে বলে কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রক জানিয়েছে।

সেক্ষেত্রে কল রেটে কোনও বদল হবে না। তবে রোমিং-এ থাকার সময় ভিডিও কল বা এসএমএসের ক্ষেত্রে এই ছাড় পেতে গেলে কোনও গ্রাহককে তার পরিষেবাপ্রদানকারী সংস্থার কাছ থেকে স্পেশাল ট্যারিফ ভাউচারের অনুমতি নিতে হবে। যখন ফ্রি রোমিং চালু হবে তখন বিষয়টি নিয়ে ট্রাই বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেবে।

গত ডিসেম্বরে টেলিকম রেগুলেটরি অথোরিটি এ ব্যাপারে টেলিকম সংস্থাগুলির মতামত জানতে চেয়ে একটি পরামর্শ পত্র প্রকাশ করে। সেখানে জাতীয় রোমিং পরিষেবার ক্ষেত্রে কল রেটের চার্জ,বিনামূল্যে ইনকামিং কল পরিষেবা দিতে গেলে আয়ের ঘাটতি পূরণ,রোমিংয়ে ভিডিও কল ও এসএমএসের সময়ে আমদানি শুল্ক ইত্যাদি বিষয় নিয়ে টেলিকম সংস্থাগুলির মতামত জানতে চাওয়া হয়। বর্তমানে টেলিকম অপরেটাররা টার্মিনেশন চার্জ,ইন্টার-কানেক্ট চার্জ সহ একাধিক চার্জ দেয় যেগুলি যুক্ত করে গ্রাহকদের চূড়ান্ত কলচার্জ নির্ধারিত হয়। এদিন সিব্বল বলেন,ট্রাইয়ের অনুমোদন পেলে অক্টোবরের আগেই ফ্রি রোমিং পরিষেবা চালু করতে চায় কেন্দ্র।


Post Your Comment

Total Comments:3

Khub Valo Khabor ammar janno as I am in Orissa (Bhubaneswar My job Location). But I live in West Bengal (Bongaon). So Most Welcome & many many thanks...

Most welcome

wow great news . hurry......

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।