১২ মিনিটে বিজ্ঞাপনের সময়সীমা বাঁধল ট্রাই

টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার বিজ্ঞপ্তিতে উদ্বেগ প্রকাশ করল নিউজ ব্রডকাস্টারস অ্যাসোসিয়েশন। দেশের সর্বত্র টেলিভিশন সম্প্রচারের ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেশন চালু হওয়ার আগে ও সরকারি বিজ্ঞাপনের হার গ্রহণযোগ্য না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর না করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে তারা।  

Updated: Mar 24, 2013, 10:17 AM IST

টেলিভিশন চ্যানেলে বিজ্ঞাপনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া নিয়ে টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার বিজ্ঞপ্তিতে উদ্বেগ প্রকাশ করল নিউজ ব্রডকাস্টারস অ্যাসোসিয়েশন। দেশের সর্বত্র টেলিভিশন সম্প্রচারের ক্ষেত্রে ডিজিটাইজেশন চালু হওয়ার আগে ও সরকারি বিজ্ঞাপনের হার গ্রহণযোগ্য না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর না করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে তারা।
 
স্ট্যান্ডার্ডস অফ কোয়ালিটি অফ সার্ভিস অ্যামেন্ডমেন্ট রেগুলেশনস, ২০১৩ নামে ওই বিজ্ঞপ্তিতে গত শুক্রবার ট্রাই জানায়, টেলিভিশন চ্যানেলে প্রতি ঘণ্টায় ১২ মিনিটের বেশি বিজ্ঞাপন দেখানো যাবে না। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নিয়মকানুন জারি করা নয়, এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ট্রাই গোটা বিষয়টির ওপর নিয়ন্ত্রণ কায়েম করতে চাইছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নিউজ ব্রডকাস্টারস অ্যাসোসিয়েশন। নিউজ চ্যানেলগুলির আয়ের ৯০ শতাংশেরও বেশি আসে বিজ্ঞাপন থেকে। কিন্তু, ২০০৮ আর্থিক মন্দার প্রভাব এখনও না কাটায় বিজ্ঞাপনের মূল্য খুবই কম। ফলে, নিউজ চ্যানেলগুলি যখন ব্যবসা চালাতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়ছে, তখনই ট্রাই এই নির্দেশিকা জারি করল বলে জানিয়েছে এনবিএ।
২০১২-র পয়লা নভেম্বর থেকে প্রথম পর্যায়ের ডিজিটাইজেশন কার্যকর হলেও খবরের চ্যানেলগুলি এখনও এর কোনও সুবিধা পায়নি। এর ওপর সরকারি বিজ্ঞাপন না পাওয়া এবং সরকারি বিজ্ঞাপনের হার ৭৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় প্রতি বছর নিউজ চ্যানেলগুলি ক্ষতির শিকার হচ্ছে বলে এনবিএ-র তরফে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞাপনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সংক্রান্ত ট্রাইয়ের নির্দেশ সংবিধান বিরোধী বলেও মনে করছে নিউজ ব্রডকাস্টারস অ্যাসোসিয়েশন। তাদের আশঙ্কা, ট্রাইয়ের এই নির্দেশ কার্যকর হলে বহু সংবাদ সংস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। লোকসভা নির্বাচনের আগে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে এনবিএ।