কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্ক নির্ধারণে বৈঠকে এনসিপি

Last Updated: Monday, July 23, 2012 - 15:46

মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে মন কষাকষির মধ্যেই আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসল এনসিপি। ইউপিএ-তে জোট শরিক হিসেবে এনসিপি ভবিষ্যতে কী ভূমিকা নেবে, তা নিয়ে দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করলেন শরদ গোবিন্দরাও পাওয়ার।
ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার থেকে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এনসিপি নেত্রী অগাথা সাংমা। আজ সকালে নব-নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে, তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এনসিপি নেতারা। তাঁদের মধ্যে শরদ পাওয়ারও ছিলেন। তবে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা ভোজসভায় যোগ দিচ্ছেন না পাওয়ার।
দিল্লি ও মহারাষ্ট্র, দু-জায়গাতেই কংগ্রেস শাসিত সরকারের শরিক এনসিপি। তবে, রাজ্যই হোক বা কেন্দ্র, কংগ্রেসের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ দলীয় নেতা শরদ পওয়ার। প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় তাঁকে দু-নম্বর জায়গা ছাড়তে নারাজ কংগ্রেস। কেন্দ্রে সরকার থেকে এনসিপি বেড়িয়ে গেলে তার প্রভাব পড়বে মহারাষ্ট্রের রাজ্য রাজনীতির সমীকরণেও। সেক্ষেত্রে সঙ্কটে পড়তে পারে মহারাষ্ট্রে ক্ষমতায় থাকা কংগ্রেস-এনসিপি জোট সরকারও।

দুর্নীতি-সহ নানা অভিযোগে জেরবার মহারাষ্ট্রে এনসিপি-র মন্ত্রীরা। কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহান নিজে এনসিপির হাতে থাকা সেচ মন্ত্রকের দুর্নীতি তুলে ধরতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন। সব মিলিয়ে রীতিমতো চটে রয়েছেন মারাঠা স্ট্রংম্যান। প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে আসতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। মন্ত্রিসভা থেকে শরদ পাওয়ার ও প্রফুল প্যাটেলের ইস্তফা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয় রাজনৈতিক মহলে। 
এর পরই পাওয়ারকে তুষ্ট করতে তাঁকে মূল্যবান জোটসঙ্গী বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আসন পাওয়ার পাবেন কিনা, সেবিষয়ে এখনও কিছু নিশ্চিত করেনি কংগ্রেস। এনসিপির আশা, তাদের প্রধান দাবিগুলির দিকে নজর দেবে কংগ্রেস।



First Published: Monday, July 23, 2012 - 15:46


comments powered by Disqus