মন্ত্রিসভায় থাকছে এনসিপি

Update: July 24, 2012 11:20 IST

দিনকয়েক ধরে চলা বিবাদের ইতি টনলেন প্রফুল প্যাটেল। ইউপিএ-তেই থাকছে শরিক এনসিপি। বুধবার এনসিপি নেতা প্রফুল্ল প্যাটেল সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, দলের অভ্যন্তরে আলোচনা হয়েছে। যে সমাধান সূত্র বেরিয়েছে তাতে শরিক নেতারা খুশি বলেই জানিয়েছেন প্যাটেল। শরদ পাওয়ার এবং তিনি নিজে সরকারের সঙ্গে সক্রিয়ভাবেই কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন এনসিপি নেতা প্যাটেল। সমস্যা মেটাতে বুধবার বিকেল ৫টায় শারদ পাওয়ার ও প্রফুল প্যাটেলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন সোনিয়া গান্ধী ও মনমোহন সিং। বৈঠকের পরই সিদ্ধান্ত জানান প্রফুল প্যাটেল।

মনমোহন মন্ত্রিসভার `নাম্বার টু` আসন নিয়ে শরদ পাওয়ারের সঙ্গে কংগ্রেসের মন কষাকষির মধ্যেই মহারাষ্ট্রের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহান নিজে এনসিপির হাতে থাকা জলসম্পদ ও সেচ এবং পূর্ত দফতরের দুর্নীতি তুলে ধরতে সচেষ্ট হওয়ায় এনসিপি নেতৃত্ব প্রকাশ্য সঙ্ঘাতের পথে হাঁটে। প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে বেরিয়ে আসতে চান বলে জানান পাওয়ার। মন্ত্রিসভা থেকে শরদ পাওয়ার ও প্রফুল প্যাটেলের ইস্তফা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয় রাজনৈতিক মহলে। এনসিপি`র তরফে গতকাল বিদায়ী রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিলের সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর ডাকা ভোজসভাও বয়কট করা হয়।


উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে মারাঠা স্ট্রংম্যানের ক্ষোভের আঁচ পেয়ে দ্রুত ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামে কংগ্রেস। গতকাল রাতেই শরদ পাওয়ার, প্রফুল প্যাটেলদের সঙ্গে আরও একদফা কথা বলেন কংগ্রেসের শীর্ষ  নেতারা। মনে করা হচ্ছে, তখনই তাদের মধ্যে নতুন কোনও বোঝাপড়া হয়েছে যার ফলে এই মুহুর্তে সরকার থেকে বেরিয়ে আসছে না এনসিপি।




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।