উত্তরাখণ্ডে সরকার গড়তে `ফটো ফিনিশ`-এর লড়াই

Update: March 6, 2012 12:47 IST

গত বারের বিধানসভা ভোটেও কোনও দলকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেয়নি উত্তরাখণ্ড। হিমালয় ঘেরা পাহাড়ি রাজ্যের অধিবাসীরা এবারও সেই ধারা বজায় রাখতে চলেছেন। ৭০ আসন বিশিষ্ট উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় প্রধান যুযুধান দুই প্রতিপক্ষ- বিজেপি এবং কংগ্রেস কোনও দলই সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাজিক ফিগার ৩৬-এ পৌঁছতে পারছে না। ফলে নির্ণায়ক ভূমিকায় আসতে চলেছেন বিএসপি, উত্তরাখণ্ড ক্রান্তি দল এবং নির্দল বিধায়করা।

২০০৭ সালের বিধানসভা ভোটে রাজ্যে বিজেপি ৩৪ এবং কংগ্রেস ২১টি কেন্দ্রে জিতেছিল। বিএসপি ৮, উত্তরাখণ্ড ক্রান্তি দল ৩ এবং নির্দল প্রার্থীরা ৩টি আসনে জয়ী হয়েছিলেন। পরে উত্তরাখণ্ড ক্রান্তি দল এবং নির্দলদের সমর্থনে সরকার গড়ে বিজেপি। এবারের ভোটে প্রায় সমসংখ্যক আসনে জয়ী হতে চলেছে কংগ্রেস ও বিজেপি। দু'দলের ভাগ্যেই জুটতে পারে ৩০টি' কাছাকাছি আসন। বিএসপি ৫ এবং নির্দল ও অন্যান্যদের দখলে যেতে পারে ৫টি কেন্দ্র।

এই পরিস্থিতিতে ইতিমধ্যেই ঘোড়া কোনাবেচার দৌড় শুরু হয়েছে গাড়োয়াল-কুমায়ুনের মুলুকে। রাজ্য বিজেপির তরফে ইতিমধ্যেই বিএসপি'র সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গঠনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজ্য বিজেপি'র দুই হেভিওয়েট নেতা, মুখ্যমন্ত্রী ভুবনচন্দ্র খাণ্ডুরি কোটদ্বার এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক দইওয়ালা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে রুদ্রপ্রয়াগ কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের হরক সিং রাওয়াত।






Post Your Comment

Total Comments:1

এ কেমন রংগ যাদু এ কেমন রংগ, ভালোবাসায় পোড়ায় যে মন , পোড়ে না সে অংগ।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।