ত্রিফলাতেও শিক্ষা নেই, পুরসভার বিধি ভাঙার রেওয়াজের অভিযোগ উঠছেই

Update: December 17, 2012 20:10 IST

ত্রিফলা আলোকাণ্ডে বিতর্কের পরেও হুঁশ ফেরেনি কলকাতা পুরসভার। বিধি ভেঙে, টেন্ডার না ডেকেই পুরসভার সব অনুষ্ঠানের বরাত দেওয়া হচ্ছে একটি মাত্র ডেকোরেটিং সংস্থাকে। আজ এই অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস কাউন্সিলর মালা রায়। পাশাপাশি ত্রিফলা আলোকাণ্ডের তদন্তে স্বচ্ছতার দাবি করে কংগ্রেসের তরফে পুর কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়।

একটি মাত্র ডেকোরেটিং সংস্থাকে পুরসভার সব অনুষ্ঠানের বরাত দেওয়া নিয়ে সোচ্চার হলেন কংগ্রেস কাউন্সিলররা। তাঁদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের বহু অনুষ্ঠানেরও খরচও যোগাচ্ছে পুরসভা। ফলে সামলাতে হচ্ছে বাড়তি খরচের ধাক্কা।ত্রিফলা আলোকাণ্ডের তদন্তে স্বচ্ছতার দাবি জানিয়ে সোমবার পুর কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন কংগ্রেস কাউন্সিলররা। 
  
ত্রিফলা আলোকাণ্ডে মেয়রের পাশেই দাঁড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবিষয়ে জনস্বার্থ মামলা চলছে, এই যুক্তিতে কন্ট্রাক্টরদের বকেয়া পাওনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মেয়র। এরই মধ্যে ডেকোরেটিং সংস্থাকে বরাত দেওয়া নিয়ে কংগ্রেস বিধিভঙ্গের অভিযোগ আনায় নতুন করে চাপের মুখে পুর কর্তৃপক্ষ।
 

Post Your Comment

Total Comments:2

টাকা নেই,টাকা নেই এটা মমতার অজস্র ভাঁওতার মধ্যে অন্যতম একটা। আসলে যা ছিল তার ৯৯% তো ১৮ মাসেই ফাঁকা করে দিয়েছে। বাকী দিনগুলোর জন্য কেন্দ্রের থেকে না নিয়ে রাখলে মদন,মুকুল,পার্থ,বেচাদের সামলানো মুশকিল!ওরা কী বনের মোষ তাড়াতে এসেছে? নীচে থেকে ওপর পর্যন্ত বিভিন্ন নামে তোলাবাজী চলছে। সেজন্যই তো মমতার যুক্তি শিল্পের জন্য আবার জমি লাগে নাকী! মমতার `তোলাবাজী শিল্প` তো হাওয়াতেই চলছে!

SOB UPOSI CHARPOKARA AJ CORPORATIONE BOSECHE, JEKHAN PACHHE SEKHANTHEKE ROKTTO TANCHE.JOTO DIN JABE NATUN NATUN KHETREY DURNITIR SANDHAN PAYA JABE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।