১ মাসেও গ্রেফতার হলনা কেউ

Update: December 6, 2011 21:03 IST

ভবানীপুর থানা আক্রমণের ঘটনার পর একমাস পেরিয়ে গেছে। অথচ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিস। দোষীদের চিহ্নিত করার পরও কেন গ্রেফতার করা হল না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ৬ নভেম্বর রানি শঙ্করী লেনের ভবানীপুর প্লেয়ার্স কর্নারের জগদ্ধাত্রী পুজোর ভাসান উপলক্ষে ডিজে, সেবক সংঘের ব্যান্ড পার্টি-সবেরই বিশাল আয়োজন করা হয়েছিল। ভাসান চলাকালীনই শব্দবিধি ভঙ্গের অভিযোগ যায় ভবানীপুর থানায়। শোভযাত্রা তখন ভবানীপুর থানার সামনে দিয়েই যাচ্ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিসের বাদানুবাদ শুরু হয়। আচমকাই ভবানীপুর থানায় হামলা চালায় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের একাংশ। লাঠি চালায় পুলিস। গোলমালের খবর পেয়ে ভবানীপুর থানায় পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, এরপরই ঘটনাস্থল থেকে ভবানীপুর থানায় ধরে নিয়ে আসা দুজন সেখান থেকে চলে যায়। এই ঘটনার পর কেটে গেছে একমাস। অথচ এখনও পর্যন্ত থানা আক্রমণের ঘটনায় একজনকেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিস। থানা আক্রমণের মতো ঘটনা অতীতে কমই ঘটেছে। ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করা হলেও কেন এখনও পুলিস কাউকে গ্রেফতার করল না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর এসি সাউথ যে রিপোর্ট জমা দিয়েছিলেন তাতেও পুলিসের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়েছিল।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।