রাজ্যের ঋণ মকুব নিয়ে অর্থমন্ত্রীর আশ্বাস পেলেন না অমিত মিত্র

Update: February 5, 2013 17:24 IST

রাজ্যের তোলা ঋণের সুদ মকুবের দাবি এখনই মানতে নারাজ কেন্দ্র। মঙ্গলবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের সঙ্গে বৈঠকে ফের এই দাবি জানিয়েছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। কিন্তু কেন্দ্রের কাছ থেকে যে কোনও ইতিবাচক ইঙ্গিত মেলেনি। চিদম্বরম স্পষ্টই জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের জন্য ঋণের সুদ মকুব করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে কেন্দ্রের। ফলে এখনই রাজ্য সরকারের এই আর্জি মানা সম্ভব নয়। 

ঋণের সুদ মকুবের জন্য একাধিকবার দরবার করেও কেন ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলছে না ? সংবিধান বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ঋণের সুদ ছাড় দিলে অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও একই দাবি উঠবে। এক্ষেত্রে কিছু সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণেই আপাতত রাজ্যের আর্জি মানতে নারাজ কেন্দ্র। 

রাজনৈতিক মহলের দাবি, কেন্দ্র ছাড়াও একাধিক ঋণদানকারী সংস্থার থেকে ঝণ নিয়েছে রাজ্য। রাজনৈতিক মহলের অনুমান, আলাদাভাবে পশ্চিমবঙ্গকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার ক্ষেত্রে আপত্তি রয়েছে কেন্দ্রের।

কেন্দ্রের থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ সামান্যই। রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, সেক্ষেত্রে কীভাবে পুরো সুদ মকুব করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার ?

Post Your Comment

Total Comments:1

Very good decision by P.Chidambaram. Mamata`s unaccounted, unplanned, irresponsible misuse of public money by doling out to clubs, organizing frivolous, irrelevant festivals, bizarre publicity expenses for buying votes must never be entertained. Amit Mitra, we thought educated and intelligent, now we saw he only became another petty sycophant of maniac Mamata- who is not at all efficient ant worthy.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।