স্বরাষ্ট্রসচিবের অনুপস্থিতিতে হল না একুশে জুলাইয়ের শুনানি

Update: July 20, 2012 21:27 IST

একুশ জুলাইয়ের ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে একুশে জুলাইয়ের ঘটনায় গঠিত কমিশনের প্রথম শুনানির দিন। কিন্তু কোনও কাজই হল না এদিন। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিবের আসার কথা থাকলেও তিনি আসেননি। ফলে কমিশনের শুনানি মুলতুবি হয়ে যায়। কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথির অধিকাংশই এখনও এসে পৌঁছয়নি।

গত বছর ৪ নভেম্বর নতুন সরকারের তরফে ২১ জুলাইয়ের ঘটনায় এক সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠিত হয়। দায়িত্ব দেওয়া হয় বিচারপতি সুশান্ত চ্যাটার্জিকে। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মহাকরণ অভিযানে পুলিসের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন কর্মী। সেই ঘটনার তদন্তেই গঠিত এই কমিশন। প্রথমে কমিশনের মেয়াদকাল ৬ মাস থাকলেও পরে আরও ছমাস বাড়ানো হয়। শুক্রবার বিচারপতি সুশান্ত চ্যাটার্জির কমিশনে আসার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু তিনি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন, দার্জিলিং-এ জিটিএ নির্বাচন নিয়ে বৈঠক থাকার কারণে তিনি আসতে পারছেন না।

স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফের ডাকা হয়েছে আগামী ২২ অগাস্ট। এছাড়া আগামী ২৪ তারিখ থেকে ছটি থানার ওসি-দের ডাকা হয়েছে।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।