ঘোষণা সত্ত্বেও খোঁজ নেই সরকারি সবজি কাউন্টারের

Update: July 5, 2012 10:06 IST

সবজির দাম বৃদ্ধি ঠেকাতে না পেরে অবশেষে বিভিন্ন বাজারে সবজি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শহরের ৮টি বাজারে বেনফিশের ধাঁচে ভ্রাম্যমান কাউন্টার খুলে সবজি বিক্রির পরিকল্পনা কথাও জানিয়েছিল রাজ্যের কৃষি বিপণন দফতর। এগুলি হল, মানিকতলার ভিআইপি মার্কেট, কলেজ স্ট্রিট, এন্টালি, শিয়ালদা শিশির বাজার, বাঁশদ্রোনী, গড়িয়াহাট, ল্যান্সডাউন, এবং বেহালা পৌরবাজার। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে সন্ধান মিলল না সেই সমস্ত সরকারি বিক্রয়কেন্দ্রের।

কাঁচালঙ্কা সহ অন্যান্য সবজির দামবৃদ্ধির নেপথ্যে ফড়ে বা দালালদের হাত রয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিল সরকার। সেই মত টাস্কফোর্স তৈরি করেন রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী অরূপ রায়। কিন্তু কাজ হয়নি। এরপর সোমবার মহাকরণে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তার নির্দেশে মঙ্গলবার থেকে বাজারে বাজারে শুরু হয় নজরদারি। তাতেও খুব একটা কাজ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে রাজ্য সরকার কাউন্টার খুলে সবজি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু কলকাতার বাজারগুলি ঘুরেও এদিন সন্ধান মেলেনি কোনও সরকারি কাউন্টারের।

Post Your Comment

Total Comments:1

Puro jali govt....fore der kach theke taka kheye sob chupchap...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।