গ্রেটার নয়ডায় কৃষকদের পক্ষে রায়

Update: October 21, 2011 11:44 IST

জমি অধিগ্রহণ মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেল উত্তরপ্রদেশ সরকার।শুক্রবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট এক রায়ে নয়ডা, গ্রেটার নয়ডা ও নয়ডা এক্সটেনশনের অন্তর্গত মোট তিনটি গ্রামে রাজ্য সরকারের সমস্ত জমি অধিগ্রহণ কর্মসূচিকে স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের তিন
সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ এই রায় দিয়েছে। সেইসঙ্গে অনিচ্ছুক কৃষকদের ক্ষতিপূরণের পরিমাণ অতিরিক্ত চৌষট্টি শতাংশ করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। সরকার জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করছে। এই মর্মে উত্তরপ্রদেশের সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তেষট্টিজন কৃষক। গতমাসের তিরিশ
তারিখ মামলার শুনানি ছিল। তখন সবপক্ষের বক্তব্য শুনে,রায়দান স্থগিত রেখেছিল আদালত।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।