বন্যায় বিপর্যস্ত উত্তর ভারত, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

Update: August 5, 2012 16:45 IST

প্রবল বৃষ্টি আর ধসের জেরে এখনও বিপর্যস্ত উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং জম্মু-কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা। হড়কা বানে উত্তরাখণ্ডেই কমপক্ষে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিন জওয়ানসহ প্রায় ৫০ জনের এখনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। আবহাওয়া দফতরের তরফে ফের ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুর্গত এলাকা থেকে মানুষজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সেনা জওয়ানরা।

প্রবল বৃষ্টির জেরে হু-হু করে বাড়ছে ভাগীরথীর জল। জল বাড়তে শুরু করেছে গঙ্গার শাখানদী সরযূ এবং ঘাঘরারও। প্রবল বৃষ্টি এবং ধসের কারণে গতকালই চারধাম যাত্রা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। ধসে বন্ধ হয়ে গিয়েছে হৃষিকেশ-বদ্রি সংযোগকারী রাস্তা। বিপর্যস্ত হিমাচল প্রদেশের সোলাং উপত্যকা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে চণ্ডীগড়-মানালি জাতীয় সড়ক। বন্ধ রোটাং-লেহ হাইওয়ে। জম্মু-কাশ্মীরে চেনাব, তাওয়াই, উঝ, এবং বসান্তর নদীর জল হু-হু করে বাড়ছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।