টিকিট তৈরিতে পাল্টা জবাব ইস্টবেঙ্গলের

Update: January 25, 2012 13:40 IST

বড় ম্যাচের টিকিট তৈরিতে পাল্টা জবাব দিল ইস্টবেঙ্গল। টিকিটের রঙ লাল হলুদ। সঙ্গে থাকছে আশিয়ান জয়ের ছবি। এর আগে প্রথম ডার্বিতে মোহনবাগানের সবুজ-মেরুণ রঙের টিকিট করাতে ডার্বির উত্তাপ বেড়ে গিয়েছিল।

আইলিগের দ্বিতীয় ডার্বি এখনও দিন দশেক দূরে। কিন্তু এখন থেকেই শুরু হয়ে গেল মাঠের বাইরের লড়াই। বলা ভাল কলকাতা ডার্বির উত্তাপ বাড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল। ২০ নভেম্বর আইলিগে প্রথম ডার্বি ম্যাচের আয়োজন করেছিল মোহনবাগান। সেবার সবুজ-মেরুন রঙের টিকিট করা হয়েছিল। যার ফলে বড় ম্যাচের উত্তাপ বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুন। এবার টিকিট তৈরীতে পাল্টা জবাব দিল ইস্টবেঙ্গল। ৪ ফেব্রুয়ারি আইলগের ফিরতি বড় ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব ইস্টবেঙ্গলের। এবার টিকিটের রঙ হচ্ছে লাল হলুদ। ঐতিহ্যশালী রঙের লড়াইয়েই থেমে নেই ইস্টবেঙ্গল। টিকিটের পিছনে রয়েছে আশিয়ান কাপ জয়ী দলের ছবি।

লাল হলুদ কর্তাদের দাবি, ২ টি ডার্বি ম্যাচ হেরে মুষড়ে পড়া ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের চাঙ্গা করবে টিকিটের এই ডিজাইন। পাশাপাশি এই টিকিটে দলের ঐতিহাসিক জয়ের ছবি থাকায় সমর্থকরা তা সংগ্রহে রাখার আগ্রহ দেখাবেন বলেও আশাবাদী কর্তারা। এই টিকিট নিয়ে মোহনবাগান সমর্থকদের প্রতিক্রিয়া কি হয়, সেটা দেখার অপেক্ষায় আছেন তাঁরা।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।