একশো দিনের প্রকল্পের টাকা তছরুপের অভিযোগে বিট অফিসার

Update: April 2, 2012 09:56 IST

বনসৃজনের জন্য একশো দিন কাজের প্রকল্পের কোনও কাজ না-করিয়েই, স্থানীয় কয়েকজন যুবককে দিয়ে তাঁদের জব কার্ডে সই করিয়ে নেন ভাদুতলার বিট অফিসার সুভাষ ঘোষ। অভিযোগ পশ্চিম মেদিনীপুরের ভাদুতলা বিটের বাসিন্দাদের। শুধু তাই নয়, প্রকল্পে বরাদ্দ টাকা ওই যুবকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়লে, তাঁদের দিয়ে চেকে সই করিয়ে, সেই টাকা তুলে নেওয়া হয়।

এরপর যুবকদের কাউকে ১০০ টাকা, কাউকে ২০০ টাকা দিয়ে পুরো টাকাটাই বিট অফিসার আত্মসাত্‍ করেন বলেও অভিযোগ গ্রামবাসীদের। তাঁদের বক্তব্য, এই কাজ করা হয় বন সুরক্ষা কমিটির কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে। ক্রমাগত চাপ দিয়ে এবং জোর করে টাকা নেওয়ার পর ওই যুবকরাও এখন পলাতক। বিট অফিসারের কাছে বারবার গেলেও, তাঁরও দেখা পাননি বলেও জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

জেলা বন দফতরের দাবি, বিষয়টি গ্রহণযোগ্য কিংবা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তবে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনার তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ‌অ্যাসিটেন্ট ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার। গরিব মানুষের রোজগারের একমাত্র ভরসা এনআরইজিএ প্রকল্পের টাকা তছরুপের অভিযোগকে ঘিরে সোরগোল পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে।
 






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।