এনএইচআরএম দুর্নীতি, মায়াবতীর বিরুদ্ধে তদন্ত চাইল সপা সরকার

Update: May 14, 2012 15:22 IST

এবার উত্তরপ্রদেশের বহুচর্চিত জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন(এনআরএইচএম) কেলেঙ্কারিতে মায়াবতীকে অভিযুক্ত করতে উদ্যোগী হল অখিলেশ যাদব সরকার। সোমবার মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে উত্তরপ্রদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যানমন্ত্রী আহমেদ হাসান জানিয়েছেন, বহু কোটি টাকার এনআরএইচএম দুর্নীতিতে পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও তদন্ত করা প্রয়োজন। বিএসপি সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে এনএইচআরএম-কাণ্ডে আর্থিক অনিয়মে মদত দেওয়ার নানা প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন সমাজবাদী পার্টির এই প্রভাবশালী মন্ত্রী। তাত্‍পর্যপূর্ণভাবে এদিনই লখনউ ও নয়ডার মায়া-জমানায় নির্মীত দলিত পার্কে সরকারি টাকায় বহেনজি এবং বিএসপি'র নির্বাচনী প্রতীক হাতির মূর্তি বসানোর অভিযোগের তদন্তে নেমেছে উত্তরপ্রদেশ প্রশাসন। এদিন লখনউ ও নয়ডার পিডব্লিউডি'র কার্যালয়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে পার্ক নির্মাণ সংক্রান্ত বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়।

মায়াবতী জমানায় জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন-এর দুর্নীতির জেরে ইতিমধ্যেই সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন বেশ কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্তা। ঘটেছে, খুন এবং পুলিসি হেফাজতে রহস্য-মৃত্যুর ঘটনাও। প্রদীপ শুক্লার মতো সিনিয়র আইএএস অফিসার এবং বাবু সিং কুশওয়ার মতো মায়াবতী ক্যাবিনেটের প্রাক্তন মন্ত্রীকেও এই মামলায় গ্রেফতার করেছে সিবিআই। সিবিআই-এর তরফে পেশ করা প্রাথমিক রিপোর্টে জননানো হয়েছে, রাজ্যের ৮৯টি জেলার জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন-এর কেন্দ্রীয় অর্থসাহায্যে আনুমানিক ২২.৫ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। এই দুর্নীতির সঙ্গে লখনউ-এর রাজনৈতিক ও আমলামহলের উপরতলার যোগাযোগেরও ইঙ্গিত মিলেছে সিবিআই রিপোর্টে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের নবগঠিত সমাজবাদী পার্টি সরকারের তরফে পুরো দুর্নীতিকাণ্ডে `বহেনজি`কে নিশানা করার ফলে রাজনৈতিকভাবে তিনি যথেষ্ট বিড়ম্বনায় পড়লেন বলেই মনে ওয়াকিবহাল মহল।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।